Nadia: মায়ের চোখ দান করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়ে গেলেন স্কুল শিক্ষক ছেলে! উঠছে একাধিক প্রশ্ন

Nadia Arrest: ওই এলাকায় একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিবাদ ছিল। গ্রামবাসীদের একাংশের সঙ্গে শিক্ষকের পরিবার বিবাদ ছিল। সম্প্রতি ওই শিক্ষকের মায়ের মৃত্যু হয়। তাঁর চক্ষুদান করার কথা ছিল। মায়ের মৃত্যুর পর একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে নিয়ম মেনে চক্ষু দান করেন আমির। সেই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, তাঁরা ইতিমধ্যেই সেই চোখ নিয়ম অনুযায়ী সমস্ত প্রোটোকল মেনে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

Nadia: মায়ের চোখ দান করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়ে গেলেন স্কুল শিক্ষক ছেলে! উঠছে একাধিক প্রশ্ন
গ্রেফতার শিক্ষকImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 10, 2026 | 11:57 AM

নদিয়া:   মৃত্যুর পর মায়ের চক্ষুদান নিয়ে বিতর্ক। মায়ের চক্ষু বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধেই। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য নদিয়ার কোতোয়ালি থানা এলাকায়। গ্রেফতার সমাজ কর্মী তথা স্কুল শিক্ষক। যদিও তাঁর কাছে মেডিক্যাল কলেজের কাগজ রয়েছে বলে দাবি শিক্ষকের। তবুও গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন। আর গ্রামবাসীদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
যদিও  ধৃত শিক্ষক আমির চাঁদ শেখের বক্তব্য, “আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। পাড়ার থেকে ৫-৭ জন মিলে করেছে। হিংসা থেকেই এই কাজ করেছে। আমার চাকরিটা খাবে বলে।”

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই এলাকায় একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিবাদ ছিল। গ্রামবাসীদের একাংশের সঙ্গে শিক্ষকের পরিবার বিবাদ ছিল। সম্প্রতি ওই শিক্ষকের মায়ের মৃত্যু হয়। তাঁর চক্ষুদান করার কথা ছিল। মায়ের মৃত্যুর পর একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে নিয়ম মেনে চক্ষু দান করেন আমির। সেই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, তাঁরা ইতিমধ্যেই সেই চোখ নিয়ম অনুযায়ী সমস্ত প্রোটোকল মেনে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তার রসিদও রয়েছে। CMOH রঞ্জিত কুমার দাস বলেন, “ঠিক এই নিয়মেই মানা হয়। এখানে কোনও বিক্রি করার বিষয়ই আসছে না।” কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, সমস্ত কাগজপত্র থাকার পরও, কীভাবে কেবল অভিযোগের ভিত্তিতে একজন শিক্ষক-সমাজকর্মীকে গ্রেফতার করা হল? কারণ অভিযুক্ত নিজেই দাবি করছেন, তাঁর কাছে কাগজ রয়েছে। সেই কাগজ সংবাদমাধ্যমের হাতেও এসেছে।

এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “চক্ষুদানের মতো মহৎ কাজ হয় না। এটা একটা বিরাট সামাজিক সচেতনতা। এখন আমাদের এখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এমনই, যে কোনও মহৎ কাজের জন্য যা কর্মসূচি দরকার, তার প্রচার হয়না। ফলে মানুষের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছয়।”

Follow Us