
নদিয়া: বিয়ের পরে মোটর বাইক সোনার আংটির দাবি ছিল জামাই ও শ্বশুরবাড়ির। বাপের বাড়ি থেকে পণ দিতে না পারায় স্ত্রীকে মারধোর ও এক মাসের কন্যা সন্তানকে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল জামাই ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। যদিও শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে । অভিযোগ দায়ের থানায় শান্তিপুর বাবলা এলাকায়।
গত দু’বছর আগে শান্তিপুর থানার নতুন পাড়ার যুবতী সালমা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয় বাবলা এলাকার এক বাসিন্দার সাহিন শেখের। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বারবার সাহিন তাঁদের কাছে পণের দাবি করতে থাকেন। মোটরবাইক ও সোনার আংটি দিতে হবে ,এই দাবি নিয়ে সোমবার সকালে সালমাকে পুনরায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ছেলেটির বাড়িতে যায়। অভিযোগ, তাঁদের সামনে মেয়ে উপর নির্যাতন চালায় ও মারধর করা হয় এবং এক মাসের কন্যা সন্তানকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়।
এরপর তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যা হয় শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। সেখান থেকে তার অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ার কারণে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় শিশুটিকে। পরিবারে পক্ষ থেকে অভিযোগ দাযের করা হয় শান্তিপুর থানায়। ঘটনা পর অভিযুক্ত পলাতক। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।