
নদিয়া: জাতীয় সড়কে উপর গাড়ি দাঁড় করার ছিল পুলিশ। রাস্তার ধারেই দাঁড়িয়েছিল ডাম্পার। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেই ডাম্পারের পিছনেই স্কুল গাড়ির ধাক্কা। জখম একাধিক স্কুল ছাত্র। সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৮ জন খুদে পড়ুয়া ছিল ওই গাড়িটিতে। তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। কালিগঞ্জ থানার পলাশী এলাকার ঘটনা।
ঘটনার প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয়রা। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তার পাশে গাড়ি দাঁড় করছিল পুলিশ, সেই সময় একটি ডাম্পারকে দাঁড় করায়। হঠাৎই দাঁড়িয়ে যাওয়া ডাম্পারের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে স্কুলের গাড়িটি।
সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর দিক থেকে আসা একটি ডাম্পার পিছনে ধাক্কা মারে একটি বেসরকারি স্কুলের ছোট গাড়ি। ঘটনায় আহত হন অন্তত ২৮ জন শিশু পড়ুয়া। তাঁদের মধ্যে আটজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, পুলিশ টাকা তোলার জন্যই বড় গাড়িটি হঠাৎ হাত দেখিয়ে দাঁড়াতে বলে। আচমকাই গাড়ি দাঁড়িয়ে গেলে পিছন থেকে স্কুলের গাড়ির চালকও ব্রেক কষেন। তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন তিনি। যার ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ঘণ্টা খানেক রাস্তা অবরোধ হয়ে রয়েছে। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।