Bangladesh Border: ছাপোষা চেহারা, বাইক থেকে নামিয়ে বেল্টটা খুলতেই… চোখ কপালে কর্তাদের, যা বেরল…
Nadia: ডিআরআই সূত্রের খবর, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর থেকে চাকদহের দিকে আলাদা আলাদা মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় সাতজনকে আটক করেন আধিকারিকরা। এরপর তাঁদের দেহে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ গোয়েন্দাদের।

নদিয়া: সীমান্তে সোনা পাচারের বড়সড় চক্র হাতেনাতে ধরে ফেলল ডিআরআই (ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স)। পশ্চিমবঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (Bangladesh Border) এলাকায় সক্রিয় ছিল সুসংগঠিত সোনা পাচার চক্র। আর তারই পর্দা ফাঁস করল ডিআরআই (DRI)। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে এই খবর প্রকাশ করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকার সোনা পাচারে কারা কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালানো হয়। প্রায় ৩৪ কোটি টাকা মূল্যের ২৪ কেজি বিদেশি সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাত পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ধৃতদের কোমর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৮০টি সোনার বার।
ডিআরআই সূত্রের খবর, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর থেকে চাকদহের দিকে আলাদা আলাদা মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় সাতজনকে আটক করেন আধিকারিকরা। এরপর তাঁদের দেহে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ গোয়েন্দাদের। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তিরা তাঁদের কোমরে বিশেষ ধরনের কাপড়ের বেল্ট বেঁধে রেখেছিলেন। সেই বেল্টের ভিতর থেকেই উদ্ধার হয় বিদেশি সিলমোহরযুক্ত এবং বিকৃত করা মোট ১৮০টি সোনার বার।

১৯৬২ সালের কাস্টমস অ্যাক্ট অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া ২৪ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতেরা স্বীকার করেছে যে, তারা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই বিপুল পরিমাণ সোনা সংগ্রহ করেছিল। এই চক্রটি মূলত কয়েকটি ধাপে কাজ করত বলে জানা গিয়েছে।
প্রথম দলটি সীমান্ত থেকে সোনা সংগ্রহ করে পরবর্তী দলের হাতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল, যাতে মূল পাচারকারীরা নিরাপদে থাকতে পারে। ঘটনার পিছনে আর কোন বড় মাথা জড়িয়ে রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে ডিআরআই।
