
ব্যারাকপুর: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছে বিভিন্ন বিরোধী দল। আন্দোলন শুরু করেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টিও’ (CJP)। মুম্বইয়ের শিবাজী পার্ক থেকে দিল্লির যন্তর মন্তর- একাধিক জায়গায় আন্দোলনের ছবি দেখা গিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সমর্থনে কলকাতায় কর্মসূচি নিতে পারে সিজেপি। এবার সেই আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী (Kaustav Bagchi)।
বিজেপি বিধায়কের দাবি, দাবি যাই হোক না কেন, আদতে এই আন্দোলনের পিছনে রয়েছে একাধিক শক্তি। বিদেশ থেকে আসা অর্থ থেকে শুরু করে বিরোধী শক্তির সমর্থনের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন কৌস্তভ। সম্প্রতি মুম্বইতে ককরোচদের ওই আন্দোলনে সামিল হতে দেখা গিয়েছে নাসিরুদ্দিন শাহ, বিশাল দাদলানির মতো তারকাদের। সেই প্রসঙ্গ তুলে কৌস্তভ বলেন, “অনেকে এরকম আছে। বিশাল দাদলানি, নাসিরুদ্দিন শাহ, যাদের মানুষের কাছে কোনও অ্য়াকসেপ্টেন্স নেই, তারা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের দিয়ে পারসেপশন তৈরি করতে চাইছে। এর পিছনে বিদেশি ফান্ডও আছে।” তৃণমূলের তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গেও কৌস্তভ বলেন, “এদেরও তো মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাই বাচ্চা ছেলেমেয়েদের বিপথে চালিত করছে।” এদের পিছনে এত টাকা, এত লোকবল কোথা থেকে আসছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন কৌস্তভ।
ব্যারাকপুরের বিধায়কের বক্তব্য, বিজেপির এই ধরনের মুভমেন্ট ক্রাশ করতে পাঁচ সেকেন্ড লাগবে। আরশোলা মাকড়সাদের দুরমুশ করতে লাগবে পাঁচ সেকেন্ড। কিন্তু আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে, তাই সরকার সহনশীলতা দেখাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আন্দোলনের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে কৌস্তভ এদিন বলেন, “ওদের মাথায় রাখা উচিৎ বাড়িতে আরশোলা-মাকড়সা হলে, সবার বাড়িতেই কিন্তু বেগন স্প্রে, হিট স্প্রে থাকে। বেশি উৎপাত হলে সেগুলো প্রয়োগ করা শুরু করি।”
বিধায়কের দাবি, আদতে এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। ভারত যে অগ্রগতির পথে যাচ্ছে, সেটা ভেঙে ফেলতেই চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। বিধায়ক মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এত আন্দোলনের পরও দেশের একাধিক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এবিভিপি জিতেছে।