
উত্তর ২৪ পরগনা: এসআইআর শুনানিতে টাকা চাওয়ার অভিযোগ বিএলও-র বিরুদ্ধে। টাকা না দেওয়ায় ভোটার স্লিপ আটকে দেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর কালুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরাতন বনগাঁ এলাকায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিএলও।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন বনগাঁর বাসিন্দা সুশীল বিশ্বাস। তাঁর কাছ থেকেই টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সুশীলের বক্তব্য, তাঁর ৭০ নম্বর পার্টের বিএলও মৃন্ময় রায় তাঁদের এসআইআর-এর শুনানির জন্য ডেকেছিলেন। তাঁদের পরিবারের তিন জনের জন্য ৩০ হাজার করে টাকা চেয়েছিলেন। তবে সেই টাকা তিনি দেননি। সুশীল বিশ্বাস দাবি করেছেন, ভোটার তালিকায় নাম ওঠার পরেও নানান ছল বাহানায় টাকা চাইতেন বিএলও মৃন্ময় রায়।
সুশীল আরও অভিযোগ করেন, SIR শুনানির জন্য টাকা চেয়েও থামেননি বিএলও মৃন্ময় রায়। ইলেকশন কমিশনের তরফ থেকে ভোটারদের জন্য দেওয়া স্লিপ আটকে রেখে টাকা দাবি করেছেন। তবে অভিযোগ করার পর তার ভোটার স্লিপ দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতির স্বামী সুভাষ শীলের দাবি, একই ভাবে প্রায় ৫০ জন বৈধ ভোটারের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বিএলও।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএলও মৃন্ময় রায়। তিনি বলেন, “ওই ব্যক্তির স্লিপ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে আমি স্লিপ দিয়ে এসেছি।” বিএলও এর দাবি, স্থানীয় তৃণমূল নেতা ষড়যন্ত্র করে তাঁর নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।
বিজেপির বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার কনভেনার প্রবীর রায় বলেন, “আমরা বারংবার বলেছি, তৃণমূলের সঙ্গে চক্রান্ত করে বিএলও-রা সাধারণ মানুষের ভোট কেটে দিয়েছে। তৃণমূলের পথে হেটে বিএলও কাটমানি চাইছে।”