
বাগদা: রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফার ভোট। আর সেই ভোটের আগে ভোটারদের শাড়ি, টাকা বিলির অভিযোগ ঘিরে শোরগোল উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায়। গ্রেফতার করা হল স্থানীয় বিএলও-কে। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিএলও-কে দিয়ে টাকা, শাড়ি বিলির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। অন্যদিকে, পদ্ম শিবিরের অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল জানিয়েছে, তাদের এসব করার প্রয়োজন পড়ে না।
কী হয়েছে বাগদায়?
মঙ্গলবার দুপুরে বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রের কনিয়ারা দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেয়াড়া ১৫৭ নম্বর পাটের বিএলও অমৃত বিশ্বাসকে গ্রামে শাড়ি বিলির অভিযোগে আটক করে বাগদা থানার পুলিশ। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকটি শাড়িও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।
বাগদার বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুরের অভিযোগ, “তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে শাড়ি, মদ ও টাকা বিলি করছিলেন ওই বিএলও। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যাতে সর্বোচ্চ সাজা পান, আমরা সেটাই চাই।” বিজেপি প্রার্থীর আরও অভিযোগ, এরকম একাধিক জায়গাতেই টাকা, শাড়ি বিলি করা হচ্ছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য কমিশন যাতে পদক্ষেপ করে, সেই আর্জি জানান তিনি।
বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। বাগদা পশ্চিম ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নিউটন বালা বলেন, “একজন বিএলও-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন গ্রেফতার করা হয়েছে, তা আমরা জানি না। ওই বিএলও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীও নন, সভাপতিও নন। আর তৃণমূলের কিছু বিলি করার প্রয়োজন পড়ে না। আমাদের মা-বোনেদের জন্য লক্ষ্মীর ভান্ডার রয়েছে। যুবসাথী রয়েছে। এটা বিজেপির চক্রান্ত । বিজেপি নির্বাচনে হারবে জেনে এই ধরনের চক্রান্ত করছে।”