Newborn Body Exhumed: আদালতের নির্দেশে তোলা হল সমাধিস্থ সদ্যোজাতর দেহ, কেন?
Newborn Body Exhumed in Bangaon after Court Order: লক্ষ্মণ কুমারের পরিবার ভালোবেসে সদ্যোজাত শিশুপুত্রের নাম দিয়েছিল সুরাজ কুমার। কিন্তু জন্মের দু'দিন পরেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে সুরাজ। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় তার। পরবর্তীতে পরিবারের তরফ থেকে ঘাটবাওড় শ্মশানে সদ্যোজাত সুরাজের দেহ সমাধিস্থ করে লক্ষ্মণ কুমারের পরিবার।

বনগাঁ: আদালতের নির্দেশে মাটি খুঁড়ে তোলা হল সদ্যোজাতর দেহ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি পাঠানো হয়েছে বনগাঁ হাসপাতালে। শনিবার দুপুরে ঘাটবাওড় শ্মশান থেকে আদালতে নির্দেশে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তোলা হয় সদ্যোজাতর মৃতদেহ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। শ্মশান থেকে সমাধিস্থ দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় ঘাটবাওড় শ্মশান চত্বরে।
জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা লক্ষ্মী কুমারীর বিয়ে হয় বনগাঁর একটি ইটভাটায় কর্মরত লক্ষ্মণ কুমারের সঙ্গে। গত ৩০ মার্চ লক্ষ্মী কুমারী একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। তবে প্রসবের সময় চিকিৎসকরা জানতে পারেন, লক্ষ্মী তখনও নাবালিকা। বিষয়টি বনগাঁ থানার পুলিশকে জানানো হয়। তারপরই গ্রেফতার করা হয় লক্ষ্মী কুমারীর স্বামী লক্ষ্মণ কুমারকে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মণ কুমারের পরিবার ভালোবেসে সদ্যোজাত শিশুপুত্রের নাম দিয়েছিল সুরাজ কুমার। কিন্তু জন্মের দু’দিন পরেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে সুরাজ। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় তার। পরবর্তীতে পরিবারের তরফ থেকে ঘাটবাওড় শ্মশানে সদ্যোজাত সুরাজের দেহ সমাধিস্থ করে লক্ষ্মণ কুমারের পরিবার।
জানা গিয়েছে, এই বিষয়টি আদালতের কানে পৌঁছলে আদালত সদ্যোজাতর দেহ তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশ মতই শনিবার দুপুরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সদ্যোজাতর দেহ তোলে বনগাঁ থানার পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বনগাঁ মহকুমা আদালতের বিশেষ সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন, “পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছে। এই মুহূর্তে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন লক্ষ্মণ কুমার। আদালতের নির্দেশেই তাঁর সদ্যোজাত সন্তানের মৃতদেহ মাটি থেকে তোলা হয়েছে।” লক্ষ্মণ কুমারের পরিবার জানিয়েছে, পুলিশ লক্ষ্মণ কুমারকে গ্রেফতার করেছে। এর বেশি কিছু জানে না তারা।
