
বনগাঁ: কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া প্রথম দফায় ভোট নিয়ে বড় কোনও অভিযোগ নেই। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ সামনে আসেনি। কী হবে দ্বিতীয় দফায়? প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষেই এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার লক্ষ্যে শনিবার বনগাঁ এসডিও অফিসে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। আর সেই বৈঠক শেষেই তিনি জানিয়ে দিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
কী বললেন সিইও মনোজ আগরওয়াল?
আগামী ২৯ এপ্রিল (বুধবার) দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। যেসব জেলায় ভোটগ্রহণ হবে, সেইসব জেলায় ভোটপ্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বৈঠক করছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। এদিন বনগাঁ মহকুমা শাসকের অফিসে রাজনৈতিক দলগুলি ও প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন মনোজ আগরওয়াল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
CEO-র কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে কী পদক্ষেপ করছে কমিশন? জবাবে সিইও বলেন, “প্রথম দফার থেকে দ্বিতীয় দফায় নিশ্চিতভাবে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। প্রথম দফায় ৪৫ হাজারের মতো বুথ ছিল। দ্বিতীয় দফায় ৪০ হাজারের মতো বুথ রয়েছে। দ্বিতীয় দফায় প্রথম দফার থেকে এলাকা কম। দ্বিতীয় দফায় কড়া নজরদারি থাকবে। দ্বিতীয় দফায়ও অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।”
দ্বিতীয় দফায় আরও বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে বলে সিইও জানান। প্রথম দফাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরে হামলা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “এটা দুর্ভাগ্যজনক। ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।” এরপরই তাঁর হুঁশিয়ারি, “সরকারি কর্মী ও উর্দিধারীদের উপর হামলা হলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।” সীমান্ত এলাকা নিয়ে তিনি জানান, বনগাঁতে যে কাঁটাতারবিহীন সীমান্ত রয়েছে, সেখানে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। নাকা চেকিং করা হচ্ছে । শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এদিন সিইও-র সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক তথা হরিণঘাটার বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকার বলেন, “আমাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা বলেছি। সিইও ও পুলিশ আমাদের জানিয়েছে, প্রথম দফার মতোই শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হবে। কেউ ভোটদানে বাধা দিলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” তৃণমূল নেতা সৌমেন দত্ত বলেন, “শান্তিপূর্ণ ভোটদান নিয়ে সিইও বৈঠক করলেন।”