Farmers: কাঁকরোল, পেঁপে, পটল , বেগুন- সব জলের তলায়, হাজার হাজার টাকার ক্ষতি
Waterlogged: বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া, মিনাখাঁ, হাড়োয়া, হিঙ্গলগঞ্জ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় পরপর দু'দিনের টানা বৃষ্টিতে চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে ধান, পাট এবং বিভিন্ন সবজির খেত। ফলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা কৃষকরা।

বসিরহাট: টানা বৃষ্টিতে (Heavy Rain) মাঠে সর্বনাশ। মাথায় হাত কৃষকদের। পরপর দু’দিনের বৃষ্টিতে মাঠ জুড়ে ধ্বংসের ছবি। ব্যাপক ক্ষতির মুখে ধান, পাট ও বিভিন্ন সবজি। ঋণ নিয়ে চাষ করা কৃষকদের (Farmers) মাথায় হাত। যে ঋণ নিয়ে চাষ করেন কৃষকরা, সেটাই বা মেটাবেন কীভাবে, বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা। তাঁদের দাবি, সরকার একটু সাহায্য না করলে অসুবিধায় পড়তে হবে তাঁদের।
মৌসুমী অক্ষরেখার উপর ভর করে বর্ষার বৃষ্টির দাপট বেড়েছে অনেকটাই। গত কয়েকদিন ধরে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান না পূর্ব মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলিতে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। তাই এই পরিস্থিতি থেকে এখনই অব্যাহতি পাচ্ছেন না কৃষকরা।
এক কৃষক জানিয়েছেন, কাঁকরোল, পেঁপে, পটল, বেগুনের মতো সব ফসলই জলের তলায়। পাটও ডুবে গিয়েছে। সেগুলো আর নেওয়া যাবে না। কৃষক বলেন, ‘সরকার সাহায্য না করলে আর বাঁচার উপায় নেই।’
বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া, মিনাখাঁ, হাড়োয়া, হিঙ্গলগঞ্জ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় পরপর দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে ধান, পাট এবং বিভিন্ন সবজির খেত। ফলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা কৃষকরা।
অনেক কৃষকই ঋণ নিয়ে চাষ করেছিলেন। কিন্তু অকাল বৃষ্টিতে সেই ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় চরম অনিশ্চয়তার মুখে তাঁদের জীবিকা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি-অবিলম্বে সরকার উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা করলে উপকৃত হবে কৃষকরা।
