
হাড়োয়া: তৃণমূল ও আইএসএফ (ISF) সংঘর্ষে উত্তপ্ত হাড়োয়া বিধানসভা। প্রচারে বেরিয়ে আইএসএফ-এর বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে হেনস্থা করার অভিযোগ। এমনকী, তাঁর দিকে তেড়ে গেলে তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
ঠিক কী ঘটেছে?
জানা যাচ্ছে, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া বিধানসভার ISF প্রার্থী পিয়ারুল ইসলামের সমর্থনে ভোটের প্রচারে এসেছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি নিজেও এবার লড়াই করছেন ভাঙর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। পাশাপাশি আইএসএফ কর্মী সমর্থকদের সমর্থনে ভোট প্রার্থনা করতে যাচ্ছেন জেলায়-জেলায়। সেই মতোই গতকাল গিয়েছিলেন পিয়ারুলের সমর্থনে।
কিন্তু সেখানে যেতেই তৃণমূলের বাধার মুখে নওশাদকে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, হামাদামা এলাকায় একটি তৃণমূলের কর্মিসভা চলছিল। তখনই ওখান থেকেই নওশাদের গাড়ি আটকানো হয়। তারপর তৃণমূল-আইএসএফ কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির পরিবেশ তৈরি হয়। গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন নওশাদ সিদ্দিকী। অভিযোগ, তাঁর দিকে তেড়ে যান তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। তখন দু’পক্ষের মারপিট আরও চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। ঘটনাস্থল থেকে নওশাদ সিদ্দিকীকে উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশ, এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা। দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন আক্রান্ত হয়েছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে হাড়োয়া বেড়াচাপা রোড অবরোধ করে ISF কর্মী সমর্থকরা। পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও কেন্দ্র বাহিনীর জওয়ান। এক আইএসএফ কর্মী বলেন, “আমাদের ভাইজানের গাড়ি আটকেছিল। সেটাই ছাড়াতে গিয়েছি। তখন তৃণমূলের লোকজন মারধর করে। ওদের কাছে মেশিন, কোদাল-বাটি নিয়ে রেখেছিল। আমরা যেতেই আমাদের উপর আক্রমণ করল।”