Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে সুকান্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ, কী ব্যাখ্যা দিলেন এসপি

Sukanta Majumdar: বসিরহাট জেলার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, 'সুকান্ত মজুমদার স্থানীয় সমর্থকদের নিয়ে থানার সামনে ধরনায় বসে যান। যা ১৪৪ ধারা উল্লঙ্ঘন করে। সেই কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর পার্সোনাল বন্ডে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।'

| Edited By: Soumya Saha

Feb 22, 2024 | 10:44 PM

সন্দেশখালি: শেখ শাহজাহানের অবিলম্বে গ্রেফতারির দাবিতে সন্দেশখালি থানার বাইরে অবস্থানে বসে পড়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক ধরে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছিলেন তিনি। পুলিশের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সুকান্তদের। বলা হয়, এভাবে অবস্থান চালানো যাবে না। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। আর এরপরই থানার ভিতর থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী বাইরে বেরিয়ে আসে। আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। পরে জানা যায়, তাঁকে গ্রেফতার করে, পরে আবার পার্সোনাল বন্ডে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সুকান্ত-সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থানার সামনে থেকে কার্যত ঠেলে ধামাখালি ঘাটের দিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় সুকান্ত সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে বলতে থাকেন, ‘দেখুন কীভাবে পুলিশ আমাকে ধাক্কা দিয়ে, টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। কীভাবে গ্রেফতার করছে দেখুন।’ এসবের মধ্যে সুকান্ত মজুমদারকে টোটোয় তুলে ধামাখালি ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশের তরফে। মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী, কমব্যাট ফোর্স ও র‌্যাফ। সুকান্তকে নিয়ে টোটোয় করে পুলিশ চলে আসে ধামাখালি ঘাটে। সেখানে পুলিশের একটি লঞ্চে চাপানো হয় বঙ্গ বিজেপির সভাপতিকে। সংবাদ মাধ্যমের থেকে সুকান্ত ও অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের দূরে রাখার বেশ কিছুটা চেষ্টা করা হয় পুলিশের তরফে।

এমভি বাগদাদ নামে পুলিশের একটি লঞ্চে চাপিয়ে সুকান্তদের নিয়ে মাঝ নদীতে চড়কিপাক খেতে থাকে পুলিশ। বার বার লঞ্চের অভিমুখ বদল হচ্ছে। একবার ধামাখালির দিকে, একবার সন্দেশখালির দিকে, একবার খুলনার দিকে লঞ্চের মুখ ঘুরিয়ে, আবার ধামাখালির দিকে ঘোরানো হয় লঞ্চের অভিমুখ। লঞ্চের ভিতরটা পুরো অন্ধকার। বেশ কিছুক্ষণ পর ধামাখালির ফেরি ঘাটে নোঙর করা হয় পুলিশের নৌকা। নামানো হয় সুকান্ত মজুমদারকে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘তৃণমূলের কোনও নেতা পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করতে পারে না। যেভাবে আমাদের টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে আসা হল… এই পুলিশ এটাই পারে। শুধুমাত্র বিরোধীদের উপর, বিজেপির উপর এই ধরনের অত্যাচার করতে পারে। শেখ শাহজাহানকে ধরার সময় পুলিশের এই সক্রিয়তা দেখা যায় না।’ সুকান্ত দাবি, তাঁদের প্রথমে গ্রেফতার করা হয় এবং তারপর লঞ্চে পিআর বন্ডে সই করিয়ে জামিন দেওয়া হয়।

বসিরহাট জেলার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ‘সুকান্ত মজুমদার স্থানীয় সমর্থকদের নিয়ে থানার সামনে ধরনায় বসে যান। যা ১৪৪ ধারা উল্লঙ্ঘন করে। সেই কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর পার্সোনাল বন্ডে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।’

সন্দেশখালি: শেখ শাহজাহানের অবিলম্বে গ্রেফতারির দাবিতে সন্দেশখালি থানার বাইরে অবস্থানে বসে পড়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক ধরে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছিলেন তিনি। পুলিশের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সুকান্তদের। বলা হয়, এভাবে অবস্থান চালানো যাবে না। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। আর এরপরই থানার ভিতর থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী বাইরে বেরিয়ে আসে। আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। পরে জানা যায়, তাঁকে গ্রেফতার করে, পরে আবার পার্সোনাল বন্ডে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সুকান্ত-সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থানার সামনে থেকে কার্যত ঠেলে ধামাখালি ঘাটের দিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় সুকান্ত সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে বলতে থাকেন, ‘দেখুন কীভাবে পুলিশ আমাকে ধাক্কা দিয়ে, টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। কীভাবে গ্রেফতার করছে দেখুন।’ এসবের মধ্যে সুকান্ত মজুমদারকে টোটোয় তুলে ধামাখালি ঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশের তরফে। মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী, কমব্যাট ফোর্স ও র‌্যাফ। সুকান্তকে নিয়ে টোটোয় করে পুলিশ চলে আসে ধামাখালি ঘাটে। সেখানে পুলিশের একটি লঞ্চে চাপানো হয় বঙ্গ বিজেপির সভাপতিকে। সংবাদ মাধ্যমের থেকে সুকান্ত ও অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের দূরে রাখার বেশ কিছুটা চেষ্টা করা হয় পুলিশের তরফে।

এমভি বাগদাদ নামে পুলিশের একটি লঞ্চে চাপিয়ে সুকান্তদের নিয়ে মাঝ নদীতে চড়কিপাক খেতে থাকে পুলিশ। বার বার লঞ্চের অভিমুখ বদল হচ্ছে। একবার ধামাখালির দিকে, একবার সন্দেশখালির দিকে, একবার খুলনার দিকে লঞ্চের মুখ ঘুরিয়ে, আবার ধামাখালির দিকে ঘোরানো হয় লঞ্চের অভিমুখ। লঞ্চের ভিতরটা পুরো অন্ধকার। বেশ কিছুক্ষণ পর ধামাখালির ফেরি ঘাটে নোঙর করা হয় পুলিশের নৌকা। নামানো হয় সুকান্ত মজুমদারকে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘তৃণমূলের কোনও নেতা পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করতে পারে না। যেভাবে আমাদের টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে আসা হল… এই পুলিশ এটাই পারে। শুধুমাত্র বিরোধীদের উপর, বিজেপির উপর এই ধরনের অত্যাচার করতে পারে। শেখ শাহজাহানকে ধরার সময় পুলিশের এই সক্রিয়তা দেখা যায় না।’ সুকান্ত দাবি, তাঁদের প্রথমে গ্রেফতার করা হয় এবং তারপর লঞ্চে পিআর বন্ডে সই করিয়ে জামিন দেওয়া হয়।

বসিরহাট জেলার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ‘সুকান্ত মজুমদার স্থানীয় সমর্থকদের নিয়ে থানার সামনে ধরনায় বসে যান। যা ১৪৪ ধারা উল্লঙ্ঘন করে। সেই কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর পার্সোনাল বন্ডে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।’

Follow Us