সন্দেশখালি: উত্তম সর্দারের পর অবশেষে সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন শিবু হাজরা। আর তারপরই উল্লাসে মেতে উঠলেন সন্দেশখালির মহিলারা। TV9 বাংলার মুখোমুখি হয়ে তাঁরা বললেন, “শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ায় আমরা খুব খুশি।” কেবল মহিলা নয়, স্থানীয় বাসিন্দা সকলের মধ্যেই খুশির বাঁধ ভেঙে পড়েছে। তাই সন্দেশখালির কোথাও চলছে বিনামূল্যে চা খাওয়ানোর পর্ব তো কোথাও মিষ্টি মুখের পালা।
শিবু হাজরার গ্রেফতারির খবর শুনেই সন্দেশখালির শ্রীমনি বাজারে চায়ের দোকানিরা এদিন সন্ধ্যায় সকলকে বিনামূল্য চা খাওয়াচ্ছেন। রবিবার সকালে সকলকে মিষ্টি খাওয়ানো হবে বলেও শ্রীমনি বাজারের দোকানিরা জানিয়েছেন। আবার এলাকার মহিলারা বলছেন, “আমরা ঘরেই মিষ্টি খাব।”
শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ায় এবার আতঙ্ক কাটল, নতুন করে স্বাধীনতা ফিরে পেলেন বলে জানাচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা। কেউ বলছেন, “অনেকটা সাহস পেলাম।” আবার কেউ বলছেন, “এবার নতুন করে জীবন ফিরে পাব। নতুন করে স্বাধীনতা পাব আশা করছি।” শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ার পর এবার তাঁর কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছেন সন্দেশখালির বাসিন্দারা।
তবে শিবু হাজরা গ্রেফতার হলেও এখনই আন্দোলন থামছে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। তাঁদের কথায়, “শিবু হাজরার মাথায় রয়েছে শেখ শাহজাহান। শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হলেই আন্দোলন থামবে।” শাহজাহান গ্রেফতার হলেই আতঙ্কের পরিবেশ কাটবে এবং এলাকাবাসী নির্ভয়ে বাঁচতে পারবে বলেও জানাচ্ছেন তাঁরা।
শেখ শাহজাহান থেকে তাঁর দুই সাগরেদ উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল হয়ে ওঠে সন্দেশখালি এলাকা। রাস্তায় নেমে আসে গ্রামের মহিলারাও। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। তারপর অশান্ত পরিবেশের মধ্যে অবশেষে গত সপ্তাহে গ্রেফতার হয় উত্তম সর্দার। তারপরেও আন্দোলন থামেনি। শিবু হাজরার বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজকর্ম-সহ গ্রামের মহিলাদের যৌন নির্যাতন করার অভিযোগও ওঠে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিবু হাজরার লোকজন গ্রামের মহিলাদের বিকালের পর পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে যেতেন এবং তাঁদের উপর যৌন নির্যাতন চলত। যার প্রেক্ষিতে শনিবারই শিবু হাজরার বিরুদ্ধে জমি দখল, মানুষের উপর অত্যাচার-সহ অন্যান্য ধারার পাশাপাশি গণধর্ষণের মামলা রুজু করে পুলিশ। এরপর সন্ধ্যাতেই পুলিশের জালে পাকড়াও হয় শিবু হাজরা।
সন্দেশখালি: উত্তম সর্দারের পর অবশেষে সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন শিবু হাজরা। আর তারপরই উল্লাসে মেতে উঠলেন সন্দেশখালির মহিলারা। TV9 বাংলার মুখোমুখি হয়ে তাঁরা বললেন, “শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ায় আমরা খুব খুশি।” কেবল মহিলা নয়, স্থানীয় বাসিন্দা সকলের মধ্যেই খুশির বাঁধ ভেঙে পড়েছে। তাই সন্দেশখালির কোথাও চলছে বিনামূল্যে চা খাওয়ানোর পর্ব তো কোথাও মিষ্টি মুখের পালা।
শিবু হাজরার গ্রেফতারির খবর শুনেই সন্দেশখালির শ্রীমনি বাজারে চায়ের দোকানিরা এদিন সন্ধ্যায় সকলকে বিনামূল্য চা খাওয়াচ্ছেন। রবিবার সকালে সকলকে মিষ্টি খাওয়ানো হবে বলেও শ্রীমনি বাজারের দোকানিরা জানিয়েছেন। আবার এলাকার মহিলারা বলছেন, “আমরা ঘরেই মিষ্টি খাব।”
শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ায় এবার আতঙ্ক কাটল, নতুন করে স্বাধীনতা ফিরে পেলেন বলে জানাচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা। কেউ বলছেন, “অনেকটা সাহস পেলাম।” আবার কেউ বলছেন, “এবার নতুন করে জীবন ফিরে পাব। নতুন করে স্বাধীনতা পাব আশা করছি।” শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ার পর এবার তাঁর কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছেন সন্দেশখালির বাসিন্দারা।
তবে শিবু হাজরা গ্রেফতার হলেও এখনই আন্দোলন থামছে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। তাঁদের কথায়, “শিবু হাজরার মাথায় রয়েছে শেখ শাহজাহান। শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হলেই আন্দোলন থামবে।” শাহজাহান গ্রেফতার হলেই আতঙ্কের পরিবেশ কাটবে এবং এলাকাবাসী নির্ভয়ে বাঁচতে পারবে বলেও জানাচ্ছেন তাঁরা।
শেখ শাহজাহান থেকে তাঁর দুই সাগরেদ উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল হয়ে ওঠে সন্দেশখালি এলাকা। রাস্তায় নেমে আসে গ্রামের মহিলারাও। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। তারপর অশান্ত পরিবেশের মধ্যে অবশেষে গত সপ্তাহে গ্রেফতার হয় উত্তম সর্দার। তারপরেও আন্দোলন থামেনি। শিবু হাজরার বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজকর্ম-সহ গ্রামের মহিলাদের যৌন নির্যাতন করার অভিযোগও ওঠে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিবু হাজরার লোকজন গ্রামের মহিলাদের বিকালের পর পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে যেতেন এবং তাঁদের উপর যৌন নির্যাতন চলত। যার প্রেক্ষিতে শনিবারই শিবু হাজরার বিরুদ্ধে জমি দখল, মানুষের উপর অত্যাচার-সহ অন্যান্য ধারার পাশাপাশি গণধর্ষণের মামলা রুজু করে পুলিশ। এরপর সন্ধ্যাতেই পুলিশের জালে পাকড়াও হয় শিবু হাজরা।