সন্দেশখালি: শুক্রবার কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সন্দেশখালিতে। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা, উত্তম সর্দারদের বিরুদ্ধে ফুঁসছেন সন্দেশখালির একটি বড় অংশের মানুষ। গতকাল এক চরম জনরোষ দেখা গিয়েছে। আবার পাল্টা শিবু হাজরার দলবলকেও এলাকার দখল নিতে ঝাঁপাতে দেখা গিয়েছে। শুক্রবারের সেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যেই এবার কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের। সন্দেশখালিতে জারি করা হল ১৪৪ ধারা। সন্দেশখালি ১ এবং ২ এলাকা জুড়ে মোট ১৬ টি পঞ্চায়েত জুড়ে এই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ করা হচ্ছে সন্দেশখালিতে।
গতকাল সন্দেশখালিতে এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যে খবর সংগ্রহে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে টিভি নাইন বাংলা। খবর সংগ্রহে গিয়ে রোষের মুখে পড়েন টিভি নাইন বাংলার সাংবাদিক সৌরভ দত্ত ও চিত্র সাংবাদিক গৌরব পাল। ক্যামেরা পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়। এসবের মধ্যেই গতরাতে নবান্ন থেকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সন্দেশখালি কাণ্ডে দোষীরা কঠিন শাস্তি পাবে। এর পরপরই ডিজি এসসিআরবি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, আইজি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এস আর ঝাঁঝারিয়া, ডিআইজি বারাসত সুমিত কুমার, এসপি বসিরহাট সহ বিভিন্ন জেলা থেকে সন্দেশখালিমুখী হতে দেখা যায় পুলিশ আধিকারিকেরা। সঙ্গে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
এসবের মধ্যেই এবার সন্দেশখালিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবেই নতুন করে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়, তা নিশ্চিত করতে তৎপর পুলিশ-প্রশাসন। এবার জারি করা হল ১৪৪ ধারা। যদিও গতকাল রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) মনোজ ভার্মা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি সেই সময়ের মতো পুরোটাই কন্ট্রোলে। বলেছিলেন, অশান্তিতে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালের ঘটনাতেও আট জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
সন্দেশখালি: শুক্রবার কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সন্দেশখালিতে। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা, উত্তম সর্দারদের বিরুদ্ধে ফুঁসছেন সন্দেশখালির একটি বড় অংশের মানুষ। গতকাল এক চরম জনরোষ দেখা গিয়েছে। আবার পাল্টা শিবু হাজরার দলবলকেও এলাকার দখল নিতে ঝাঁপাতে দেখা গিয়েছে। শুক্রবারের সেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যেই এবার কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের। সন্দেশখালিতে জারি করা হল ১৪৪ ধারা। সন্দেশখালি ১ এবং ২ এলাকা জুড়ে মোট ১৬ টি পঞ্চায়েত জুড়ে এই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ করা হচ্ছে সন্দেশখালিতে।
গতকাল সন্দেশখালিতে এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যে খবর সংগ্রহে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে টিভি নাইন বাংলা। খবর সংগ্রহে গিয়ে রোষের মুখে পড়েন টিভি নাইন বাংলার সাংবাদিক সৌরভ দত্ত ও চিত্র সাংবাদিক গৌরব পাল। ক্যামেরা পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়। এসবের মধ্যেই গতরাতে নবান্ন থেকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সন্দেশখালি কাণ্ডে দোষীরা কঠিন শাস্তি পাবে। এর পরপরই ডিজি এসসিআরবি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, আইজি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এস আর ঝাঁঝারিয়া, ডিআইজি বারাসত সুমিত কুমার, এসপি বসিরহাট সহ বিভিন্ন জেলা থেকে সন্দেশখালিমুখী হতে দেখা যায় পুলিশ আধিকারিকেরা। সঙ্গে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
এসবের মধ্যেই এবার সন্দেশখালিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবেই নতুন করে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়, তা নিশ্চিত করতে তৎপর পুলিশ-প্রশাসন। এবার জারি করা হল ১৪৪ ধারা। যদিও গতকাল রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) মনোজ ভার্মা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি সেই সময়ের মতো পুরোটাই কন্ট্রোলে। বলেছিলেন, অশান্তিতে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালের ঘটনাতেও আট জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।