ব্যারাকপুর: বিজেপি নেতা মণীল শুক্লা খুনে অভিযুক্তরা যদি বিজেপিতে যোগদান করেন, তাহলে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী (Kaustav Bagchi)। সেই বিষয়টি শুনে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের বক্তব্য ছিল, কৌস্তভ যদি কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে আসতে পারেন, তাহলে সবাই আসতে পারেন। আর যেই না দিলীপ এমন বলেছেন, অমনি উৎসাহিত একাংশ বিজেপি কর্মীরা হাজির হলেন ব্যারাকপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান উত্তম দাসের (মণীশ শুক্লা খুনে অভিযুক্ত) বাড়িতে হাজির মিষ্টি। কার্যত সেলিব্রেশন মুড তাঁদের। তবে কি বিজেপিতে যোগদান খুব শীঘ্রই ? উঠছে প্রশ্ন।
কী নিয়ে ব্যারাকপুরের রাজনীতি তোলপাড়?
ছ’বছর আগে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে খুনের অভিযোগ ওঠে। মৃত বিজেপি নেতার বাবার অভিযোগ ছিল, তাঁর ছেলের খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন উত্তম দাস ও প্রশান্ত চৌধুরী। সম্প্রতি, তাঁদের নিয়েই মন্তব্য করেছেন কৌস্তভ। তাঁর বক্তব্য, এদের দলে নিসে জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিজেপি বিধায়ক বলেন, ” এই মানুষগুলো এখানে এলে আমাদের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। এর জন্য আমায় যদি আমাদের রাজ্য দফতরের সামনে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দিতে হয় তাই করব।”
কৌস্তভের এই মন্তব্যের পরই তোলপাড় ব্যারাকপুরের রাজনীতি। এরপর আবার দিলীপ ঘোষ নামেন আসরে। কৌস্তভের অতীত মনে করিয়ে বলেন, “কে আসবে না আসবে সেটা পার্টির যাঁরা অথরিটি রয়েছে, তাঁরা দেখবে। সবার চিন্তা করার তো দরকার নেই। ওঁর মতো বলেছেন। উনি কি করে বিজেপিতে এলেন? উনি যদি আসতে পারেন, তাহলে অন্যরাও আসতে পারেন।” আবার মণীষের বাবাও নিশানা করে কৌস্তুভকে বলেন, “যে সময় উকিল পাচ্ছিলাম না, সেই সময় কৌস্তভ বাগচীর কাছে গিয়েছি। উনি প্রথমে মামলা লড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও পরে বলেছিলেন প্রাণের ভয়ে লড়তে পারবেন না।” তবে, কৌস্তভ যদিও বলেছেন, তিনি এমন কিছুই বলেননি।
এরপরই দেখা গেল উত্তমের বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা। চলল কোলাকুলি, মিষ্টি বিতরণ। ব্যারকপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, “অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে ২৫ বছর ধরে একসঙ্গে আছি। মত তো পাল্টাতেও পারে। কিন্তু সৌজন্যতা আলাদা কিছু নেই। আমি এখনও বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি বলছি না বা আমি বলেছি বিজেপিতে যাব। এটা শুধুই সৌজন্যতা।” এক বিজেপি কর্মী বলেন, “আমরা বিজয়ার কোলাকুলি করলাম। ওই জন্যই করলাম। আর শুধু উত্তম দাস নয়, সিপিএম-তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে গিয়েছি।”
ব্যারাকপুর: বিজেপি নেতা মণীল শুক্লা খুনে অভিযুক্তরা যদি বিজেপিতে যোগদান করেন, তাহলে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী (Kaustav Bagchi)। সেই বিষয়টি শুনে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের বক্তব্য ছিল, কৌস্তভ যদি কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে আসতে পারেন, তাহলে সবাই আসতে পারেন। আর যেই না দিলীপ এমন বলেছেন, অমনি উৎসাহিত একাংশ বিজেপি কর্মীরা হাজির হলেন ব্যারাকপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান উত্তম দাসের (মণীশ শুক্লা খুনে অভিযুক্ত) বাড়িতে হাজির মিষ্টি। কার্যত সেলিব্রেশন মুড তাঁদের। তবে কি বিজেপিতে যোগদান খুব শীঘ্রই ? উঠছে প্রশ্ন।
কী নিয়ে ব্যারাকপুরের রাজনীতি তোলপাড়?
ছ’বছর আগে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে খুনের অভিযোগ ওঠে। মৃত বিজেপি নেতার বাবার অভিযোগ ছিল, তাঁর ছেলের খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন উত্তম দাস ও প্রশান্ত চৌধুরী। সম্প্রতি, তাঁদের নিয়েই মন্তব্য করেছেন কৌস্তভ। তাঁর বক্তব্য, এদের দলে নিসে জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিজেপি বিধায়ক বলেন, ” এই মানুষগুলো এখানে এলে আমাদের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। এর জন্য আমায় যদি আমাদের রাজ্য দফতরের সামনে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দিতে হয় তাই করব।”
কৌস্তভের এই মন্তব্যের পরই তোলপাড় ব্যারাকপুরের রাজনীতি। এরপর আবার দিলীপ ঘোষ নামেন আসরে। কৌস্তভের অতীত মনে করিয়ে বলেন, “কে আসবে না আসবে সেটা পার্টির যাঁরা অথরিটি রয়েছে, তাঁরা দেখবে। সবার চিন্তা করার তো দরকার নেই। ওঁর মতো বলেছেন। উনি কি করে বিজেপিতে এলেন? উনি যদি আসতে পারেন, তাহলে অন্যরাও আসতে পারেন।” আবার মণীষের বাবাও নিশানা করে কৌস্তুভকে বলেন, “যে সময় উকিল পাচ্ছিলাম না, সেই সময় কৌস্তভ বাগচীর কাছে গিয়েছি। উনি প্রথমে মামলা লড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও পরে বলেছিলেন প্রাণের ভয়ে লড়তে পারবেন না।” তবে, কৌস্তভ যদিও বলেছেন, তিনি এমন কিছুই বলেননি।
এরপরই দেখা গেল উত্তমের বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা। চলল কোলাকুলি, মিষ্টি বিতরণ। ব্যারকপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, “অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে ২৫ বছর ধরে একসঙ্গে আছি। মত তো পাল্টাতেও পারে। কিন্তু সৌজন্যতা আলাদা কিছু নেই। আমি এখনও বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি বলছি না বা আমি বলেছি বিজেপিতে যাব। এটা শুধুই সৌজন্যতা।” এক বিজেপি কর্মী বলেন, “আমরা বিজয়ার কোলাকুলি করলাম। ওই জন্যই করলাম। আর শুধু উত্তম দাস নয়, সিপিএম-তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে গিয়েছি।”