অশোকনগর: একদম ছোট শিশুদের ‘অ-আ-ক-খ’ যেভাবে পড়ানো হয় সেই ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের রাজনীতির পাঠ দিলেন অশোক নগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। কীভাবে ভোটার চিনতে হবে, কোন ভোটার কোন দল করেন,কাদের উপর প্রার্থীদের হার-জিত নির্ভর করে তা একদম ‘গুলে খাইয়ে’ দিলেন নারায়ণ।
গতকাল ভোটের প্রচারে বের হন নারায়ণ গোস্বামী। সভামঞ্চ থেকে কর্মীদের তিনি শিখিয়ে দেন কীভাবে ভোট করতে হবে। নারায়ণ শেখান একটা বুথে ভোট করতে কত ধরনের কর্মী লাগে? বলেন, “এক ধরনের কর্মী লাগে দেওয়াল লিখতে। তাঁরা ফ্লেক্স টাঙায়। দেওয়ালে আঠা মারে। আবার এক ধরনের কর্মী যাঁরা বাড়ি বাড়ি স্কুটিনি করতে যান ভোটার তালিকা নিয়ে।”
বিধায়কের কথায় যে কর্মী স্কুটিনি করতে যাবেন তাঁর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাড়ি বাড়ি গেলেই তিনি বুঝবেন কে কোন দল করে। বলেন, “ধরুন যিনি তৃণমূল করেন তাঁর নামের পাশে টি (তৃণমূল), আবার ধরুন কেউ বিজেপি করে পাক্কা রাম ভক্ত হনুমান, তাঁর নামে পাশে বি, আবার কেউ হুকো সিপিএম অর্থাৎ কার্ল মার্কসের হাত বোধহয় তাঁর পিঠে রাখা রয়েছে, ওর নামের পাশে লিখুন সি।”
এখানেও কিন্তু শেষ নয়, তৃণমূল নেতা শিখিয়ে দিয়েছেন দলের কর্মীদের যে সকল ভোটারদের বোঝা যায় না তাঁরা কোন দল করে তাঁদের পাশে ডি লিখে দিতে বললেন। অর্থাৎ তাঁরা ডাউটফুল। এরপর বিশ্বজিৎ দাসের উদ্দেশ্যে নারায়ণ বলেন, “এই গোটা ভোটে আমি বলব তিন বার স্কুটিনি করতে হবে। বাড়ি বাড়ি ঘুরুন। ডাউটফুল ভোটারদের যে দল প্রভাবিত করতে পারবে তাঁরাই জিতবে।”
অশোকনগর: একদম ছোট শিশুদের ‘অ-আ-ক-খ’ যেভাবে পড়ানো হয় সেই ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের রাজনীতির পাঠ দিলেন অশোক নগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। কীভাবে ভোটার চিনতে হবে, কোন ভোটার কোন দল করেন,কাদের উপর প্রার্থীদের হার-জিত নির্ভর করে তা একদম ‘গুলে খাইয়ে’ দিলেন নারায়ণ।
গতকাল ভোটের প্রচারে বের হন নারায়ণ গোস্বামী। সভামঞ্চ থেকে কর্মীদের তিনি শিখিয়ে দেন কীভাবে ভোট করতে হবে। নারায়ণ শেখান একটা বুথে ভোট করতে কত ধরনের কর্মী লাগে? বলেন, “এক ধরনের কর্মী লাগে দেওয়াল লিখতে। তাঁরা ফ্লেক্স টাঙায়। দেওয়ালে আঠা মারে। আবার এক ধরনের কর্মী যাঁরা বাড়ি বাড়ি স্কুটিনি করতে যান ভোটার তালিকা নিয়ে।”
বিধায়কের কথায় যে কর্মী স্কুটিনি করতে যাবেন তাঁর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাড়ি বাড়ি গেলেই তিনি বুঝবেন কে কোন দল করে। বলেন, “ধরুন যিনি তৃণমূল করেন তাঁর নামের পাশে টি (তৃণমূল), আবার ধরুন কেউ বিজেপি করে পাক্কা রাম ভক্ত হনুমান, তাঁর নামে পাশে বি, আবার কেউ হুকো সিপিএম অর্থাৎ কার্ল মার্কসের হাত বোধহয় তাঁর পিঠে রাখা রয়েছে, ওর নামের পাশে লিখুন সি।”
এখানেও কিন্তু শেষ নয়, তৃণমূল নেতা শিখিয়ে দিয়েছেন দলের কর্মীদের যে সকল ভোটারদের বোঝা যায় না তাঁরা কোন দল করে তাঁদের পাশে ডি লিখে দিতে বললেন। অর্থাৎ তাঁরা ডাউটফুল। এরপর বিশ্বজিৎ দাসের উদ্দেশ্যে নারায়ণ বলেন, “এই গোটা ভোটে আমি বলব তিন বার স্কুটিনি করতে হবে। বাড়ি বাড়ি ঘুরুন। ডাউটফুল ভোটারদের যে দল প্রভাবিত করতে পারবে তাঁরাই জিতবে।”