Woman Dies by Suicide: পরিচয় লুকিয়ে প্রেম, সহবাস, ব্ল্যাকমেইল, প্রেমিকের আসল রূপ দেখে মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত যুবতীর
Haroa Suicide Case: যুবতীকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে ওই যুবকের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন যুবতীর বাবা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

হাড়োয়া: পরিচয় লুকিয়ে প্রেম। সহবাস। যুবকের পরিচয় প্রেমিকা জানতে পারার পর অশ্লীল ছবি দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগ।শেষ পর্যন্ত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হলেন যুবতী। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার। অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত যুবতীর বাবা। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে মৃতের পরিবার।
মৃত যুবতীর বাড়ি হাড়োয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। তাঁর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বছর আঠারোর ওই যুবতীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল মাটিয়া থানা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে। ওই যুবক নিজের পরিচয় গোপন করেছিলেন। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ, প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে যুবতীর সঙ্গে একাধিকবার সহবাস করেন যুবক।
যুবকের পরিচয় জানার পরই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চান যুবতী। অভিযোগ, সম্পর্ক ভাঙতে চাওয়ায় যুবতীর অশ্লীল ছবি দেখিয়ে শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল। যুবতীর পরিবারের বক্তব্য, দীর্ঘদিন নিজের রুমের বাইরে বেরতেন না যুবতী। সবসময় রুমের দরজা বন্ধ রাখতেন। গতকালও তেমনই দরজা বন্ধ ছিল। সন্ধেবেলা যুবতীর মা ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ পাননি। তখন ঘরের দরজা ভেঙে দেখা যায়, গলায় শাড়ি দিয়ে ঝুলছেন যুবতী।
যুবতীকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে ওই যুবকের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন যুবতীর বাবা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃত যুবতীর মামা বলেন, “ওই যুবক আমার ভাগ্নিকে ফাঁসিয়েছিল। আমরা বোঝানোর পর ভাগ্নি বুঝেছিল। কিন্তু, পরে আবার কী করে, ভাগ্নি আমাদের কথা শুনত না। সবসময় রুমে একা থাকত। আমরা ওই যুবকের কঠোর শাস্তি চাই। যাতে কেউ পরিচয় লুকিয়ে কারও সঙ্গে এমন না করতে পারে।”
