Asansol: শহরের রেস্তোরাঁ থেকে নালায় ফেলে দেওয়া হল হাঁড়ি হাঁড়ি বিরিয়ানি, কেজি কেজি মাংস
Food Safety: অভিযান চলাকালীন আধিকারিকরা বিভিন্ন দোকানের খাবারের গুণমান, সংরক্ষণ পদ্ধতি, লাইসেন্স এবং স্বাস্থ্যবিধির বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন। তদন্তে নেমে বেশ কিছু জনপ্রিয় রেস্তোরাঁয় চরম অসঙ্গতি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ধরা পড়ে।

আসানসোল: মাংস বাসি, আলুতে মেশানো রঙ। রেস্তোরাঁয় বিক্রি হওয়া খাবার কার্যত বিষাক্ত! এমন খাবার খেলেই বিপদ বাড়তে পারে। অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন গ্রাহকরা। তাই অবিলম্বে সেই সব খাবার ফেলে দেওয়া হল ডাস্টবিনে ও নালায়। খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে বড় অভিযোগ উঠতেই আসানসোল জুড়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ ও খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা।
শিল্পাঞ্চল আসানসোলের খাদ্য সুরক্ষা ব্যবস্থার মান বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করতে শহরের একাধিক ছোট-বড় রেস্তোরাঁ ও মিষ্টির দোকানে আচমকা অভিযান চালায় রাজ্য সরকারের খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। আসানসোল মিউনিসিপাল কর্পোরেশন ও পুলিশ প্রশাসনের যৌথ সহযোগিতায়, খাদ্য দফতরের আধিকারিক প্রসেনজিৎ বটব্যালের নেতৃত্বে ভগৎ সিং মোড় থেকে জুবলি মোড় পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালীন আধিকারিকরা বিভিন্ন দোকানের খাবারের গুণমান, সংরক্ষণ পদ্ধতি, লাইসেন্স এবং স্বাস্থ্যবিধির বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন। তদন্তে নেমে বেশ কিছু জনপ্রিয় রেস্তোরাঁয় চরম অসঙ্গতি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ধরা পড়ে। উদ্ধার হয় কয়েকদিনের পুরোনো বাসি ভাজা চিকেন, মেয়াদের তারিখ পেরিয়ে যাওয়া দই এবং ক্ষতিকর কৃত্রিম রঙ মেশানো বিরিয়ানি ও বিরিয়ানির আলু।
মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অনুপযোগী ও বিষাক্ত এই সমস্ত খাদ্যসামগ্রী তাৎক্ষণিকভাবে বাজেয়াপ্ত করে ডাস্টবিনে ও নালায় ফেলে নষ্ট করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে লাইসেন্সহীন ও নিয়ম লঙ্ঘনকারী রেস্তোরাঁ মালিকদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়। হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় ভবিষ্যতে খাবারের মান উন্নত না করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান আগামী দিনেও নিয়মিত জারি থাকবে বলে দপ্তরের পক্ষে জানানো হয় এদিন।
