Hasirani Rath: স্কুলে তখন মাধ্যমিকের অনুমোদনই ছিল না! হাসিরানি রথের যোগ্যতা নিয়ে বড় অভিযোগ কমিশনে

Nandigram BJP Candidate: বিরোধীদের প্রশ্ন, জন্ম গ্রহণের আগেই বা জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই দশম শ্রেণিতে উঠে গেলেন কীভাবে? শুধু তাই নয়, স্কুল থেকে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা নিয়েও উঠেছে বড় অভিযোগ।

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Sep 23, 2026 | 12:05 AM

নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রাম (Nandigram) বিধানসভা কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে সঙ্গতি নেই বলে অভিযোগ। সিপিএম ও কংগ্রেসের তরফে থেকে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, যে সময়, যে স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছেন বলে দাবি করেছেন হাসিরানি, ওইসময় ওই স্কুলে মাধ্যমিক স্তরের অনুমোদনই ছিল না।

কোথায় বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনে হাসিরানি রথ যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, সেখানে তাঁর বর্তমান বয়স উল্লেখ করা হয়েছে, ৬০ প্লাস অর্থাৎ ৬০-এর বেশি। এই হিসেব অনুযায়ী, তাঁর আনুমানিক জন্ম সাল হওয়া উচিত ১৯৬৫ বা ১৯৬৬ সাল। ওই হলফনামাতেই তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার জায়গায় লেখা হয়েছে, ১৯৬৫ সালে তিনি চৌখালি গঙ্গা পদ্মা মিলন বিদ্যাপীঠের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। এই তথ্য নিয়েই বড় অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।

মনোনয়ন বাতিলের দাবি

এই তথ্যগত বিভ্রান্তির জন্য প্রদেশ কংগ্রেসের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, যাতে অবিলম্বে এই বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে দেওয়া হয়। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই প্রসঙ্গে অতীতে মধ্যপ্রদেশের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে এনেছে। মধ্যপ্রদেশে রাজ্যসভার নির্বাচনে কংগ্রেসের মীনাক্ষী নটরাজন (Meenakshi Natarajan)-এর নাম স্ক্রুটিনির পর বাতিল করা হয়েছিল। কংগ্রেসের বক্তব্য, আইন ও নিয়ম সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত।

পূর্ব মেদিনীপুরের সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পরিতোষ পট্টনায়ক বলেন, “সেই সময় মাধ্যমিক স্তরের অনুমোদনই ছিল না। ভুল তথ্য দিলে কমিশনের বিষয়টি দেখা উচিৎ। সাধারণ মানুষের বোঝা উচিৎ, আগামিদিনে কী হতে যাচ্ছে।” অন্যদিকে, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস ভট্টাচার্য বলেন, “খোঁজ নিয়ে দেখেছি, সংশ্লিষ্ট স্কুল মাধ্যমিকের অনুমোদন পায় ১৯৭৩ সালে।” মনোনয়ন বাতিল করার আর্জি জানিয়েছেন তিনিও। এদিকে, ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মাধুরী বর্মনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও জানান যে স্কুলটি শুরু হয়েছিল ১৯৭৩ সালে আর স্কুল মাধ্যমিকের অনুমোদন পায় ১৯৭৩ সালে।

এই অভিযোগ নিয়ে হাসিরানিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যারা বলছে, তাদেরই জিজ্ঞেস করুন।’

নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রাম (Nandigram) বিধানসভা কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে সঙ্গতি নেই বলে অভিযোগ। সিপিএম ও কংগ্রেসের তরফে থেকে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, যে সময়, যে স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছেন বলে দাবি করেছেন হাসিরানি, ওইসময় ওই স্কুলে মাধ্যমিক স্তরের অনুমোদনই ছিল না।

কোথায় বিতর্ক

নির্বাচন কমিশনে হাসিরানি রথ যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, সেখানে তাঁর বর্তমান বয়স উল্লেখ করা হয়েছে, ৬০ প্লাস অর্থাৎ ৬০-এর বেশি। এই হিসেব অনুযায়ী, তাঁর আনুমানিক জন্ম সাল হওয়া উচিত ১৯৬৫ বা ১৯৬৬ সাল। ওই হলফনামাতেই তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার জায়গায় লেখা হয়েছে, ১৯৬৫ সালে তিনি চৌখালি গঙ্গা পদ্মা মিলন বিদ্যাপীঠের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। এই তথ্য নিয়েই বড় অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।

মনোনয়ন বাতিলের দাবি

এই তথ্যগত বিভ্রান্তির জন্য প্রদেশ কংগ্রেসের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, যাতে অবিলম্বে এই বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে দেওয়া হয়। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই প্রসঙ্গে অতীতে মধ্যপ্রদেশের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে এনেছে। মধ্যপ্রদেশে রাজ্যসভার নির্বাচনে কংগ্রেসের মীনাক্ষী নটরাজন (Meenakshi Natarajan)-এর নাম স্ক্রুটিনির পর বাতিল করা হয়েছিল। কংগ্রেসের বক্তব্য, আইন ও নিয়ম সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত।

পূর্ব মেদিনীপুরের সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পরিতোষ পট্টনায়ক বলেন, “সেই সময় মাধ্যমিক স্তরের অনুমোদনই ছিল না। ভুল তথ্য দিলে কমিশনের বিষয়টি দেখা উচিৎ। সাধারণ মানুষের বোঝা উচিৎ, আগামিদিনে কী হতে যাচ্ছে।” অন্যদিকে, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস ভট্টাচার্য বলেন, “খোঁজ নিয়ে দেখেছি, সংশ্লিষ্ট স্কুল মাধ্যমিকের অনুমোদন পায় ১৯৭৩ সালে।” মনোনয়ন বাতিল করার আর্জি জানিয়েছেন তিনিও। এদিকে, ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মাধুরী বর্মনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও জানান যে স্কুলটি শুরু হয়েছিল ১৯৭৩ সালে আর স্কুল মাধ্যমিকের অনুমোদন পায় ১৯৭৩ সালে।

এই অভিযোগ নিয়ে হাসিরানিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যারা বলছে, তাদেরই জিজ্ঞেস করুন।’

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us