
পশ্চিম মেদিনীপুর: ডেবরাতে প্রকাশ্যে এল বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব। অভিযোগ, দলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়েছেন ডেবরার বিজেপি বিধায়ক শুভাশিস ওম। সোমবার সন্ধ্যার এই ঘটনায় বিধায়ক ছাড়াও বেশ কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে বিধায়ক মেদিনীপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ, ডেবরা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরেই একশ্রেণির বিজেপি কর্মী ও সমর্থক নানা ধরনের তোলাবাজি চালিয়ে আসছিলেন। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিধায়ক শুভাশিস ওমের অনুগামীরা এই অবৈধ কার্যকলাপে বাধা দেন। এর পরই দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয় এবং তা শেষ পর্যন্ত হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বিধায়ক শিবিরের সরাসরি অভিযোগ, এই তোলাবাজির নেপথ্যে মদত রয়েছে বিজেপির জেলা সভাপতি তন্ময় দাসের। উল্লেখ্য, জেলা সভাপতি তন্ময় দাস ও বিধায়ক শুভাশিস ওমের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার লড়াই দীর্ঘদিনের। সোমবারের এই ঘটনা সেই অন্তর্দ্বন্দ্বকেই আরও একবার প্রকাশ্যে এনে দিল। ঘটনার জেরে গোটা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপি নেতা তন্ময় ঘোষ বলেন, “যা শুনলাম, ওঁ তোলাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। কিছু দুষ্কৃতী লাগাতর তোলাবাজি করছিল, তা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছিল। সেই আক্রোশই গিয়ে পড়ে ওঁর ওপর। আমি শুনছি, হঠাৎ করেই বিজেপিতে আগমন হয়েছে ওদের।”
অন্যদিকে জেপির যুব মোর্চার ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রহ্লাদ চক্রবর্তীর দাবি, “সম্পূর্ণটাই জেলা সভাপতির নেতৃত্বে হয়েছে। কেননা আমাকে হাসপাতালের সামনেও আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা হয়েছে। তোলাবাজির বিরুদ্ধে আমরাও। ওনার ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা রয়েছে।”