Burdwan: মাটির দেওয়ালে ফাটল, টপটপ করে জল পড়ে বর্ষায়, শুধু একটাই কারণে ঢুকল না টাকাটা!

Awas Yojana: বিজেপি নেতা জানান, তাঁদের ঘরে বর্ষায় জল পড়ে। বাবা সামান্য পুজো করেন, তাতেই চলে সংসার। রাজনৈতিক কারণে মামলায় জড়িয়ে যাওয়ায় তাঁর কাজও কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁর মা পুতুল ঘোষাল জানান, মাঠের ধারে ভাঙাচোরা বাড়িতে থাকেন তাঁরা তিনজন। কিন্তু কোনও সাহায্যই জোটে না।

Burdwan: মাটির দেওয়ালে ফাটল, টপটপ করে জল পড়ে বর্ষায়, শুধু একটাই কারণে ঢুকল না টাকাটা!
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Mar 14, 2026 | 8:21 AM

গলসি: আবাস যোজনার তালিকায় নাম উঠেছিল। ফাইনাল লিস্টে ছিল নাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাকা ঢোকেনি। দরজায় দরজায় ঘুরে জানতে পেরেছেন, তাঁর নাম বাদ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুলেছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বিজেপি নেতা সোমনাথ ঘোষাল। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধ মা-বাবা। মাটির ঘরেই দিন কাটে তাঁদের। তা সত্ত্বেও কীভাবে নাম বাদ দেওয়া হল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

সোমনাথ ঘোষাল গলসি এলাকার চান্না গ্রামের বাসিন্দা। খন্ডঘোষ বিধানসভার একটি অংশের সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। তাঁর নাম আবাসের তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে কেটে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, যেহেতু তিনি সমাজমাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন, তাই তাঁর নাম ছেঁটে ফেলা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘বিজেপি করা কি অপরাধ?’

নাম তালিকায় থাকার পরও যখন ওই বিজেপি নেতা দেখেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে না, তখন তিনি এই অভিযোগ নিয়ে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন। সেখান থেকে তাঁকে বিডিও অফিসে যেতে বলা হয়। ভাগ্যে শুধুই টালবাহানা জোটে। তিনি এই ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, সব স্তরেই অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, পরে তিনি জানতে পেরেছেন যে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজেপি নেতা জানান, তাঁদের ঘরে বর্ষায় জল পড়ে। বাবা সামান্য পুজো করেন, তাতেই চলে সংসার। রাজনৈতিক কারণে মামলায় জড়িয়ে যাওয়ায় তাঁর কাজও কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁর মা পুতুল ঘোষাল জানান, মাঠের ধারে ভাঙাচোরা বাড়িতে থাকেন তাঁরা তিনজন। কিন্তু কোনও সাহায্যই জোটে না। প্রতিবেশী মোহনও জানান, সোমনাথের কোনও কাজ নেই। মায়ের বয়স হয়ে গিয়েছে। ঘরগুলোর হতশ্রী অবস্থা।

বিজেপি নেতা শান্তরূপ দে বলেন, “ওটা ওদের হাতে ও ভাতে মারার কৌশল। কাটমানি না দিলে, দুর্নীতির সমর্থন না করলে, তাঁকে হেনস্থা করে ওরা। তাঁর হুঁশিয়ারি, এভাবে আর বেশিদিন চলবে না।” জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, “এ ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে। সেটা চলমান প্রক্রিয়া। তবে মুখ্যমন্ত্রীর সব প্রকল্পই দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য। ভেদাভেদ করা হয় না।”

Follow Us