হলদিয়া: ভোটবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখে বাঙালির ‘মাছ-ভাত’। বৃহস্পতিবার হলদিয়া নন্দীগ্রামের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে সভা করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতি, অনুন্নয়ন, পিছিয়ে পড়া- এই সবে তৃণমূলকে বিঁধতে গিয়ে মোদীর মুখে উঠে আসে বাংলার মৎস্যজীবীদের কথাও। মোদীর বক্তব্য, তৃণমূলের জমানায় বাংলায় মাছের জোগান কমেছে। তৃণমূলের দুর্নীতির কারণেই বাংলা মাছ উৎপাদনে পিছিয়ে রয়েছে। দেশে মাছ উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে, তৃণমূলের পাপে বাংলা পিছিয়ে। আর এই কথা প্রসঙ্গেই মোদী বলেন, আসলে কেন কেন্দ্রের স্কিম বাংলায় চালু করার ক্ষেত্রে তৃণমূলের কেন এত অনীহা। মৎস্যজীবীদের জন্য কেন্দ্রের স্কিমের প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেন, “এই স্কিমে যেহেতু পিএম শব্দ আছে, কারণ এই শব্দ অহংকারী তৃণমূলের পছন্দ নয়। ভারতের সংবিধানের অপমান করছে। এই কারণে মৎস্যজীবীদের সুবিধার প্রকল্পকে চালু হতে দিচ্ছে না।”
প্রসঙ্গত, মৎস্যজীবীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা অর্থাৎ PMMSY চালু করেছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পে মৎস্যজীবীদের জন্য দুর্ঘটনাজনিত বিমার ব্যবস্থা রয়েছে। কৃষকদের মতো মৎস্যজীবীদের জন্যও সরকার ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা চালু করেছে। রয়েছে আরও বেশ কিছু সুবিধা। কিন্তু বাংলার মৎস্যজীবীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পান না।
‘পিএম’ শব্দে ভয়
কিন্তু কেন বাংলায় চালু নয়? এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই মোদী বলেন, ” ওদের পিএম শব্দের প্রতি এতটাই ঘৃণা পিএম নামের সঙ্গে যুক্ত সব প্রকল্পের হয়তো নাম বদলে দিচ্ছে, নয়তো চালুই হতে দেয় না।” উদাহরণ দিতে গিয়ে মোদী আয়ুষ্মান ভারত, পিএম জন আরোগ্য যোজনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “যেমন গরিবদের ঘরের জন্য যে প্রকল্প, পিএম আবাস, এটা বদলে দিয়েছে। আর আসল গরিব, যারা যোগ্য, তাঁদের নামই কেটে দিয়েছে। এরকমই আয়ুষ্মান ভারত. পিএম জন আরোগ্য যোজনা, তাতে ৭০ বছরের উর্ধ্বে প্রত্যেকের বিনা মূল্য চিকিৎসা প্রদান করা হয়। যেহেতু এটায় পিএম লেখা রয়েছে, তাই এটাও বাংলায় চালু হতে দেয় না।”
মোদী বলেন, “আমি জানি, তৃণমূলের বড় বড় নেতাদের আমার প্রতি ঘৃণা রয়েছে। কিন্তু এই ঘৃণার জন্য বাংলার মানুষ সমস্যায় পড়ছে। পিএম আর সিএম, একসঙ্গে কাজ করলে, তবেই মানুষের স্বার্থ জড়িয়ে।”
মোদী এদিন বাংলায় এসে বাংলাকে ৬টি গ্যারান্টি দিয়ে গিয়েছেন।
১. তৃণমূল যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, বিজেপি সরকার ভয়ের জায়গায় ভরসা ফিরিয়ে আনবে।
২. বিজেপি সরকারে সরকারি সিস্টেম জনতার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে।
৩. প্রত্যেক দুর্নীতি, নারীদের প্রতি অন্যায়, প্রতিটা ধর্ষণের কেসের ফাইল খুলবে।
৪. তৃণমূলের আমলে যারা দুর্নীতি করেছে, তারা জেলে থাকবে।
৫. যারা নাগরিক, তারা সংবিধান অনুযায়ী সমস্ত সুবিধা পাবেন। কিন্তু যারা অনুপ্রবেশকারী তাদের বের করে দেওয়া হবে।
৬. বাংলায় সব সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, বাকি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তরা সকল কর্মচারীরা ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করবেন। সপ্তম পে কমিশন লাগু করা হবে।
হলদিয়া: ভোটবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখে বাঙালির ‘মাছ-ভাত’। বৃহস্পতিবার হলদিয়া নন্দীগ্রামের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে সভা করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতি, অনুন্নয়ন, পিছিয়ে পড়া- এই সবে তৃণমূলকে বিঁধতে গিয়ে মোদীর মুখে উঠে আসে বাংলার মৎস্যজীবীদের কথাও। মোদীর বক্তব্য, তৃণমূলের জমানায় বাংলায় মাছের জোগান কমেছে। তৃণমূলের দুর্নীতির কারণেই বাংলা মাছ উৎপাদনে পিছিয়ে রয়েছে। দেশে মাছ উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে, তৃণমূলের পাপে বাংলা পিছিয়ে। আর এই কথা প্রসঙ্গেই মোদী বলেন, আসলে কেন কেন্দ্রের স্কিম বাংলায় চালু করার ক্ষেত্রে তৃণমূলের কেন এত অনীহা। মৎস্যজীবীদের জন্য কেন্দ্রের স্কিমের প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেন, “এই স্কিমে যেহেতু পিএম শব্দ আছে, কারণ এই শব্দ অহংকারী তৃণমূলের পছন্দ নয়। ভারতের সংবিধানের অপমান করছে। এই কারণে মৎস্যজীবীদের সুবিধার প্রকল্পকে চালু হতে দিচ্ছে না।”
প্রসঙ্গত, মৎস্যজীবীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা অর্থাৎ PMMSY চালু করেছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পে মৎস্যজীবীদের জন্য দুর্ঘটনাজনিত বিমার ব্যবস্থা রয়েছে। কৃষকদের মতো মৎস্যজীবীদের জন্যও সরকার ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা চালু করেছে। রয়েছে আরও বেশ কিছু সুবিধা। কিন্তু বাংলার মৎস্যজীবীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পান না।
‘পিএম’ শব্দে ভয়
কিন্তু কেন বাংলায় চালু নয়? এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই মোদী বলেন, ” ওদের পিএম শব্দের প্রতি এতটাই ঘৃণা পিএম নামের সঙ্গে যুক্ত সব প্রকল্পের হয়তো নাম বদলে দিচ্ছে, নয়তো চালুই হতে দেয় না।” উদাহরণ দিতে গিয়ে মোদী আয়ুষ্মান ভারত, পিএম জন আরোগ্য যোজনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “যেমন গরিবদের ঘরের জন্য যে প্রকল্প, পিএম আবাস, এটা বদলে দিয়েছে। আর আসল গরিব, যারা যোগ্য, তাঁদের নামই কেটে দিয়েছে। এরকমই আয়ুষ্মান ভারত. পিএম জন আরোগ্য যোজনা, তাতে ৭০ বছরের উর্ধ্বে প্রত্যেকের বিনা মূল্য চিকিৎসা প্রদান করা হয়। যেহেতু এটায় পিএম লেখা রয়েছে, তাই এটাও বাংলায় চালু হতে দেয় না।”
মোদী বলেন, “আমি জানি, তৃণমূলের বড় বড় নেতাদের আমার প্রতি ঘৃণা রয়েছে। কিন্তু এই ঘৃণার জন্য বাংলার মানুষ সমস্যায় পড়ছে। পিএম আর সিএম, একসঙ্গে কাজ করলে, তবেই মানুষের স্বার্থ জড়িয়ে।”
মোদী এদিন বাংলায় এসে বাংলাকে ৬টি গ্যারান্টি দিয়ে গিয়েছেন।
১. তৃণমূল যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, বিজেপি সরকার ভয়ের জায়গায় ভরসা ফিরিয়ে আনবে।
২. বিজেপি সরকারে সরকারি সিস্টেম জনতার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে।
৩. প্রত্যেক দুর্নীতি, নারীদের প্রতি অন্যায়, প্রতিটা ধর্ষণের কেসের ফাইল খুলবে।
৪. তৃণমূলের আমলে যারা দুর্নীতি করেছে, তারা জেলে থাকবে।
৫. যারা নাগরিক, তারা সংবিধান অনুযায়ী সমস্ত সুবিধা পাবেন। কিন্তু যারা অনুপ্রবেশকারী তাদের বের করে দেওয়া হবে।
৬. বাংলায় সব সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, বাকি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তরা সকল কর্মচারীরা ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করবেন। সপ্তম পে কমিশন লাগু করা হবে।