
কাঁথি: বাড়ির মেজো ছেলে আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েকমাস রাজ্যজুড়ে দৌড়ে বেড়িয়েছেন। ফলে পরিবারের সঙ্গে তেমন সময় দিতে পারেননি। আর শনিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে রাতে কাঁথির শান্তিকুঞ্জের বাড়িতে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার বিকেল পর্যন্ত বাড়িতেই কাটালেন। শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরের দিন শান্তিকুঞ্জের সামনে মানুষের ভিড়। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিন বাড়িতে কীভাবে কাটালেন শুভেন্দু?
শান্তিকুঞ্জের বাইরে জনতার ঢল-
শনিবার সকালে ব্রিগেড ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু। এরপর একাধিক কর্মসূচি সেরে রাতে কাঁথির শান্তিকুঞ্জের বাড়িতে তিনি পৌঁছন। মুখ্যমন্ত্রীতে বাড়িতে আসার পর এদিন সকালে শান্তিকুঞ্জের সামনে মানুষের ঢল নামে। শুভানুধ্যায়ীদের ভিড় সামাল দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।
শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী এবং দুই ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী ও সৌমেন্দু অধিকারী শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে দেখা করলেন দফায় দফায়। বিভিন্ন সরকারি অধিকারিকরাও মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে আসেন। ফুল, মিষ্টি-সহ কচি কাঁচাদের আনা উপহার গ্রহণ করলেন দিব্যেন্দু, সৌমেন্দুরা। সারা শান্তিকুঞ্জ পদ্মফুলের উপহারে ভর্তি হওয়ার অবস্থা।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সকাল থেকে কোনও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে দেখা করেননি। বিগত এতদিনের শারীরিক ধকলের জন্যই তিনি এদিন সকাল থেকে বিশ্রাম নেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে মা গায়ত্রী দেবী, বাবা শিশির অধিকারী ও মাসি মুক্তি ভট্টাচার্যকে প্রণাম করেন বাড়ির মেজো ছেলে শুভেন্দু। আজ বিশ্ব মাতৃ দিবস উপলক্ষে আলাদাভাবে উদযাপন হয়নি অধিকারী বাড়িতে।
দুপুরে কী খেলেন শুভেন্দু?
শুভেন্দুর জন্য এদিন মা ও মাসি মিলে একাধিক পদের আয়োজন করেন। জানা গিয়েছে, এদিন মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রীর পাতে ছিল মোচার তরকারি, সর্ষে ইলিশ, পোনা কালিয়া, করলা সেদ্ধ, মুরগির মাংস। শেষ পাতে ছিল টক দই। বিকেলে শান্তিকুঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ব্রোঞ্জের চিতা নিয়ে হাজির তৃণমূল কর্মীএদিন শান্তিকুঞ্জের সামনে এক বিজেপি কর্মী ব্রোঞ্জের তৈরি চিতা নিয়ে হাজির হন। উত্তম দাস নামে ওই বিজেপি কর্মী দমদমের বাসিন্দা। তিনি মনে করেন শুভেন্দু অধিকারী বাংলার বাঘ। তাই এই মূর্তিটি মুখ্যমন্ত্রীকে উপহার স্বরূপ দেবেন। আবার কেউ শঙ্খ নিয়ে হাজির হন শুভেন্দুর বাড়ির সামনে।