
কনিষ্ক মাইতি ও দেবব্রত মণ্ডলের রিপোর্ট
নন্দীগ্রাম: বাম-তৃণমূল আমলেও ভোট লুটের অভিযোগ করত বিরোধীরা। বিজেপি আমলেও সেই একই অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার চলছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপ-নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে ভোট লুটের অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। একদিকে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান ও অন্যদিকে রেজিনগরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠা হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে এই একই অভিযোগ করছে। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে মারধরেরও অভিযোগ উঠছে পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও, বিজেপির দাবি, হাওয়া গরম করতেই এইসব কথা বলা হচ্ছে।
এ দিন, ক্ষুব্ধ মিলন বলেন, “গণতন্ত্রে সকলে ভোট দেবেন এইটাই নিয়ম। পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে নির্বাচন করাচ্ছে। এখানে প্রহসন করার তো দরকার ছিল না। যিনি আমায় চোখে গামছা বেঁধে দিঘায় নিয়ে গিয়েছিলেন, সেই তন্ময় মুখোপাধ্যায় দাঁড়িয়ে রিগিং করাচ্ছেন।” একই সঙ্গে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বলেন, “আমায় লাঠিপেটা করেছে বারুণী বুথে। এই ভোট করানোর দরকার ছিল না। ভোট লুট হচ্ছে। কমিশনে জানিয়েছি। পুলিশ সিআরপিএফ কে দিয়ে ভোট লুট করাচ্ছে। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে ভয় পেয়েছে। দেশবাসী বিচার করুন।”
এখানে উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর অঞ্চলের গড় চক্রবেড়িয়া ৭ নম্বর জলপাই এর ২৪১/২৪২ নং বুথে মহিলাদেরকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল বহিরাগত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই বিষয় জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে যান কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পুলিশকে অভিযোগ জানান তিনি। মহিলাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠি নিয়ে তেড়ে যায়। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান অভিযোগ করেন, পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে এবং তিনি নিজে জখম হয়েছেন।
তবে সবটাই অস্বীকার করেছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। টিভি ৯ বাংলাকে তিনি বলেন, “আইনের নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু নিয়ম পুলিশকে মানতে হয়। আধা সামরিক বাহিনী থাকছে। বাংলায় তো কংগ্রেস প্রতিযোগিতায় নেই। কংগ্রেস খায় না মাথায় দেয়? হাওয়া গরমের জন্য করছে।”