
দিঘা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ। আর এবার চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বাঙালির কপালেও। কারণ, গোটা বিশ্বে তেল এবং গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক প্রভাব পড়া শুরু হয়েছে। কলকাতা তো বটেই বাংলার বাকি রাজ্যের রেস্তোঁরাগুলিতেও হেঁশেলের গ্যাসে টান পড়েছে। এবার তেল সঙ্কটের প্রভাব থেকে বাদ গেল না দিঘাও।
পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা,শঙ্করপুর,মন্দারমনি,তাজপুর এলাকায় প্রভাব পড়েছে। কোন পথে পর্যটন চলবে তাই ভাবাচ্ছে এখন হোটেল মালিকদের। জেলার শিল্পতালুক হলদিয়াতে গ্যাস রিফিলিং নিয়ে শঙ্কিত প্ল্যান্টগুলিও! যদিও হলদিয়ার আই ও সি,ভারত গ্যাস, সহ কোম্পানিগুলি ডোমেস্টিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যায় তার চেষ্টা করছেন বলে কোম্পানি গুলির সূত্রে খবর।
চায়ের দোকানদার তপু বেজ বলেন, “গ্যাস পাওয়া যাবে কি না তারই কোনও গ্যারান্টি নেই। এখন গ্যাস ১৯৮৫ টাকা সিলিন্ডার। আমরা এক্স্ট্রা গ্যাস চাইছি। কিন্তু দিতে পারছে না। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কী হবে ভগবানই জানে। না পাওয়া গেলে চুলা বন্ধ হয়ে যাবে।” যুগ্ম সম্পাদক ,দিঘা শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, “রিফিলিং যদি না হয়, আর গ্যাস যদি না আসে তাহলে পর্যটকদের উপর বিরাট প্রভাব পড়বে। দিঘায় তো পর্যটকদের নিয়ে ব্যবসা। সেইটাই যদি না হয় তাহলে আমাদের কী হবে? আপাতত দিঘায় প্রভাব সেই ভাবে পড়েনি। তবে দাম ১০০ টাকা বেড়েছে।” অপরদিকে, হোটেল ম্যানেজার সুভাষ দাস বলেন, “কী হবে বুঝতে পারছি না। দিঘায় তো খাবার হোটেল বন্ধ করে দিতে হবে। টুরিস্ট এলে খাবে কী?আরও বাড়বে বলছে।”