Digha: লক্ষ্য এক! পর্যটক তো বটেই, এলাকার মানুষের জন্যও প্রযোজ্য, দিঘার সৈকত নিয়ে বড় পদক্ষেপ প্রশাসনের

Digha: অনুষ্ঠানের প্রথম দিনেই বাংলার ঐতিহ্যবাহী ছৌ নাচ এবং আমন্ত্রিত শিল্পীদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়া এলাকার বিভিন্ন স্বয়সহায়ক দলের পক্ষ থেকে বেশ কিছু স্টল বসানো হয়েছে। ঘর সাজানোর নানা উপকরণের পাশাপাশি সুস্বাদু খাবারের স্টলে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।

Digha: লক্ষ্য এক! পর্যটক তো বটেই, এলাকার মানুষের জন্যও প্রযোজ্য, দিঘার সৈকত নিয়ে বড় পদক্ষেপ প্রশাসনের
নতুন সাজে দিঘাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 15, 2026 | 9:04 AM

দিঘা: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের ব্যবস্থাপনায় নিউ দিঘা সমুদ্র সৈকতে শুরু হয়েছে দুদিনের জমজমাট ‘মায়ের আগমনী’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাজ্যের ৬টি নির্বাচিত জায়গায় সরকারি উদ্যোগে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার—এই দুদিন ধরে চলা এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল চরমে।

বুধবার সন্ধ্যায় এই উৎসবের শুভ সূচনা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারী, রাজ্যের সেচ দফতরের মন্ত্রী অরূপকুমার দাস, জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা, বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী, চন্দ্রশেখর মণ্ডল, অতিরিক্ত জেলাশাসক তথা মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক ধুমাল প্রতীক অশোক সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অতিথিদের উপস্থিতিতে দিঘার সৈকত চত্বর উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিনেই বাংলার ঐতিহ্যবাহী ছৌ নাচ এবং আমন্ত্রিত শিল্পীদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়া এলাকার বিভিন্ন স্বয়সহায়ক দলের পক্ষ থেকে বেশ কিছু স্টল বসানো হয়েছে। ঘর সাজানোর নানা উপকরণের পাশাপাশি সুস্বাদু খাবারের স্টলে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।

উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ড্রোন শো ও রঙিন আতসবাজি প্রদর্শন। বুধবার এই শো হওয়ার কথা থাকলেও কিছু অনিবার্য কারণে তা বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজকের এই বিশেষ আকর্ষণ দেখতে দিঘার সৈকতে আরও বেশি মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজ্যের সেচ দফতরের মন্ত্রী অরূপকুমার দাস বলেন, “এই প্রথম একটিও ক্লাব সংগঠনকে পুজোর অনুদানের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়নি। আগের তুলনায় পুজোর সংখ্যাও অনেক বেড়েছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত মানবিক, তাই বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব যাতে সকলে মিলে আনন্দ ও উল্লাসের সঙ্গে উপভোগ করতে পারেন, তার জন্যই রাজ্যজুড়ে এই ‘মায়ের আগমনী’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলার মানুষ আজ ভীষণ খুশি।”

জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার বলেন, “বাংলার সাধারণ মানুষকে পুজোর আনন্দ পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করার সুযোগ দিতেই এই বিশেষ আয়োজন। কলকাতার ইডেনের মতো আমরাও আমাদের জেলার সৈকতে আগত পর্যটক ও স্থানীয় মানুষদের আনন্দ দিতে এই দুদিনের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছি।” সব মিলিয়ে, পূজোর প্রাক্কালে দিঘার সমুদ্র সৈকত এক অনন্য উৎসবের রূপ নিয়েছে, যেখানে সংস্কৃতি, পর্যটন এবং আনন্দের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us