Suvendu Adhikari: ‘বড় চোরও জেলে যাবে’, নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু?

Suvendu Adhikari at Nandigram: নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার প্রচারের মঞ্চ থেকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। এরপরই সুমিত রায়ের জেল যাত্রার প্রসঙ্গ টেনে এনে ওই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Suvendu Adhikari: বড় চোরও জেলে যাবে, নন্দীগ্রামের মঞ্চ থেকে কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু?
শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: Tv9 Bangla

Oct 02, 2026 | 7:04 PM

নন্দীগ্রাম: ‘বড় চোরও জেলে যাবে।’ নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের (Nandigram By-Poll) প্রচারে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। শুক্রবার প্রচারের মঞ্চ থেকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। এরপরই সুমিত রায়ের জেল যাত্রার প্রসঙ্গ টেনে এনে ওই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ওই মন্তব্যের পর থেকেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। প্রশ্ন উঠছে, বড় চোর কে , কাকে ইঙ্গিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী?

নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে শুভেন্দু

চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনে দুই কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর। দুই কেন্দ্রেই জয়লাভ করেন। কিন্তু, শেষপর্যন্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তাঁর ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রামের আসনে ফের উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর। আজ, শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের প্রচারে নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই মমতা তৃণমূল ও ডেমোক্রেটিক তৃণমূলকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।

কী বললেন শুভেন্দু?

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “হলদিয়াতে আমি যেদিন সার্টিফিকেট নিয়েছিলাম, চার তারিখের মধ্যরাত্রি, সেদিনই বলেছিলাম সব দল থাকবে, এই পার্টির নাম ও নিশান থাকবে না। আজ নামও নেই, নিশানও নেই। এত পাপ ও এত অত্যাচার করেছে, তার সীমা-পরিসীমা নেই। আপনারা সবাই অপেক্ষা করে আছেন, সুমিত রায় সব চোরেরা তো জেলে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোরও জেলে যাবে। এতটুকু বিচলিত হবেন না।”

শুভেন্দুর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে কাকে চোর বলে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী? চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “কোনও মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী তো কেউই বলতে পারেন না। এটা নির্বাচনী গিমিক। এগুলো নির্বাচনের সময় অনেক কথা বলেন, পরে ভুলে যান। কেউ যদি অপরাধ করেন, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

কুণাল ঘোষের দাবি, এই ধরনের কথার কোনও মানে হয় না। পাল্টা ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের একহাত নেন। এই বিষয়ে মদন মিত্র বলেন, “কুণাল ঘোষ কী জানেন যে বড় চোর কে, শুভেন্দু অধিকারী কাকে উদ্দেশ্য করে কথা বলছেন। দুইদিন অপেক্ষা করুন, সবটা সামনে আসবে। বাংলার জনগণ জানে কে বেইমান, কে বিজেপির দালাল।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us