
এগরা: ডাক্তার ও তৃণমূল কাউন্সিলরের মধ্যে বচসা। সঙ্গে হাতাহাতি। রণক্ষেত্র এগরা। সোমবার সন্ধেয় এগরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ডাক্তার তপেন্দু মান্নার ব্যক্তিগত চেম্বারে ডাক্তার ও কাউন্সিলরের পরিবারের মধ্যে মারামারি হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধেয় এগরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবদুর্লভ মাইতির স্ত্রী ও শাশুড়ি চিকিৎসা করাতে ডাক্তার তপেন্দু মান্নার প্রাইভেট চেম্বারে যান। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, অসুস্থতার কারণে তাঁরা ডাক্তারবাবুকে দ্রুত রোগী দেখার অনুরোধ জানান। এই অনুরোধকে কেন্দ্র করেই ডাক্তারের সহযোগী কম্পাউন্ডারের সঙ্গে তাঁদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকলে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান কাউন্সিলর দেবদুর্লভ মাইতি।
সূত্রের খবর, এরপরই উভয় পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। তারপর তা গড়ায় হাতাহাতি ও পরে মারামারিতে। কাউন্সিলরের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, ডাক্তারবাবু মহিলাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছেন এবং কাউন্সিলরকেও মারধর করেছেন। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। যদিও এই বিষয়ে ডাক্তারের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এগরা থানার পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কাউন্সিলরের মা বলেন, “আমি ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। উনি বললেন তাড়াতাড়ি কেন এলেন না। সেই নিয়েই কথা কাটাকাটি হয়েছে।”