Shahabuddin Saudi Arabia Jail Case: মক্কায় চুমু খেয়ে মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশি যুগলের, ওই ঘটনার জন্যই ২০২৩ সাল থেকে সৌদির জেলে মুর্শিবাদাবাদের সাহাবুদ্দিন! কী অপরাধ তাঁর?

Bangladeshis Execution in Soudi Arabia:  মক্কায় চুম্বনের অপরাধে শিরচ্ছেদ করা হয়েছে বাংলাদেশি যুগলের। তারপর থেকে সমালোচনার ঝড় বইছে বিশ্বজুড়ে। চুম্বন কি সত্যিই অপরাধ? সমাজমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে সেই প্রশ্ন। চুমু খাওয়ার জন্য মৃত্যুদণ্ডকে অনেকেই মধ্যযুগীয় বর্বরতা বলে মনে করছেন।

Shahabuddin Saudi Arabia Jail Case: মক্কায় চুমু খেয়ে মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশি যুগলের, ওই ঘটনার জন্যই ২০২৩ সাল থেকে সৌদির জেলে মুর্শিবাদাবাদের সাহাবুদ্দিন! কী অপরাধ তাঁর?
সৌদি আরবের জেলে বন্দি মুর্শিদাবাদের সাহাবুদ্দিন।Image Credit source: TV9 বাংলা

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Oct 26, 2026 | 12:30 PM

মুর্শিদাবাদ: বাংলাদেশি যুগলের মক্কার চুম্বনের ছবি নিয়ে সরগরম গোটা বিশ্ব। পবিত্র স্থানে অনৈতিক কাজের  অপরাধে ওই যুগলকে চরম শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। তাদের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে গত ১৪ অক্টোবর। তবে ওই ঘটনার জেরে সৌদি আরবে জেলবন্দি রয়েছেন এক ভারতীয়। বাংলার মুর্শিদাবাদের ছেলে। কী অপরাধ ছিল তাঁর?

মুর্শিদাবাদের ওই যুবকের অপরাধ, তিনি বাংলাদেশি যুগলের চুম্বনের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। সেই অপরাধেই ২০২৩ সাল থেকে সৌদি আরবে জেলবন্দি রয়েছেন মুর্শিদাবাদের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন শেখ। পেশায় তিনি পরিযায়ী শ্রমিক। পেটের টানেই কাজ করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। পরিবারের মধ্যে একমাত্র উপার্জন করতেন তিনিই। তবে ২০২৩ সাল থেকেই জেলে বন্দি রয়েছেন। এখন তাঁর পরিবার আতঙ্কে দিন গুনছে। বাংলাদেশি যুগলের মতো যদি তাঁদের ছেলেরও একই ভবিতব্য হবে না তো?

মক্কায় চুম্বনের অপরাধে শিরচ্ছেদ করা হয়েছে বাংলাদেশি যুগলের। তারপর থেকে সমালোচনার ঝড় বইছে বিশ্বজুড়ে। চুম্বন কি সত্যিই অপরাধ? সমাজমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে সেই প্রশ্ন। চুমু খাওয়ার জন্য মৃত্যুদণ্ডকে অনেকেই মধ্যযুগীয় বর্বরতা বলে মনে করছেন।

কী ঘটেছিল? 

মুর্শিদাবাদের যুবক সাহাবুদ্দিন শেখ আট বছর আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। তিন বছর আগে ওই ঘটনার দিন মক্কার মেঝে পরিষ্কার করছিলেন তিনি। সেই সময়ই দেখতে পান যে ওই বাংলাদেশি যুগল চুম্বন করছেন। তাঁর পাশেই তখন ছিলেন আরেক যুবক, যিনি পাকিস্তানি নাগরিক। তিনি সাহাবুদ্দিনের ফোন নিয়ে ওই যুগলের ছবি তোলেন এবং তা আপলোড করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সাহাবুদ্দিন আবেগের বশে চুম্বনরত যুগলের ভিডিয়ো শেয়ার  করেন। তবে তাতে এত কিছু হয়ে যেতে পারে, তা তিনি ভাবতেও পারেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভিডিয়ো আপলোড করার পরই তাঁকে সৌদির পুলিশ গ্রেফতার করে। তিনি এখন সেই দেশের জেলেই বন্দি। তাঁকে জেলমুক্ত করে এদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য পরিবার দূতাবাসে আবেদন করেছে। কিন্তু এখনও কোনও উত্তর না আসায় তারা খুবই চিন্তিত। তাঁদের ভয়, ওই বাংলাদেশি যুগলের মতো পরিণতি তাঁদের ছেলেরও হবে না তো?

সাহাবুদ্দিনের মা কোহিনূর বিবি বলেন যে তাঁর ছেলে কোনও অপরাধ করেনি। না বুঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করেছিল। তাঁর ছেলের কী হবে, তা নিয়ে আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে তাঁদের। ২০২৪ সালেই মুর্শিদাবাদের জেলাশাসকের কাছে চিঠি দিয়ে ছেলের প্রত্যর্পণের আর্জি জানান। সেই প্রেক্ষিতে জেলাশাসকও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারিকেও চিঠি দেওয়া হয়।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us