
বারুইপুর: শুক্রবার নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে বারুইপুরের টংতলার মাঠে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বারুইপুরজুড়ে ব্যাপক প্রচার শুরু করেছে বিজেপি। এবার সেই প্রচার গাড়িতেই রাতের অন্ধকারে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। প্রচার গাড়ির চালককেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
বৃহস্পতিবার বিজেপির পক্ষ থেকে অজয় হালদার নামে এক টোটো চালকের টোটো ভাড়া করে এলাকায় প্রচার চালানো হচ্ছিল। অভিযোগ, যখন বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চণ্ডীপুর থেকে টোটো চালক অজয় হালদার প্রচার করতে করতে আসছিলেন, সেই সময় চাকারবেড়িয়া এলাকায় ওই টোটো চালককে সেখানে প্রচার করতে বারণ করা হয়। তারপর লাঠি সোঁটা নিয়ে মারধর করা হয় ওই টোটো চালককে। ভাঙচুর করা হয় টোটো। ছিঁড়ে দেওয়া হয় ফ্লেক্স ও ব্যানার। হামলার খবর পেয়েই রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল। বিষয়টি ইতিমধ্যেই বারুইপুর থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে।
কী বলছেন আক্রান্ত টোটো চালক?
আক্রান্ত টোটো চালক অজয় হালদার বলেন, “আমাকে যিনি মেরেছেন, তাঁর নাম খোকন সাহা। আমি টোটোতে প্রচার সেরে আসছিলাম। এখানে ওদের রাস্তার পাশে সভা হচ্ছিল। আমি প্রচার করে ফেরার সময় ওদের সভা দেখে আমার গাড়ির মাইকের আওয়াজ কমিয়ে দিই। আমাকে দেখে ওদের কয়েকজন বলেন, দাদা আওয়াজ কমিয়ে দাও। আমি বললাম, কমিয়ে দিয়েছি। তখন বলল, বন্ধ করে দিন। আমি ঘুরে মাইক বন্ধ করতে যাব, তখনই খোকন দৌড়ে এসে আমার ঘুষি মারে। দুমদাম মারে। তারপর ব্যানার ছিঁড়ে দেয়।”
এই নিয়ে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল বলেন, “বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভায় হারছে বুঝতে পেরেছে তৃণমূল। এই জন্য একজন টোটো চালককে মেরেছে। টোটো চালকের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা টোটোতে প্রচারের জন্য ভাড়া করা হয়েছিল। হারবে বুঝেই হামলা করেছে তৃণমূল। বিজেপিকে দমাতে চাইছে। যারা হামলা করেছে, তাদের প্রত্যেকে যাতে শাস্তি পায়, তা নিশ্চিত করবে বিজেপি।”