Diamond Harbour: ১৩ কোটি টাকা খরচ করার পর সব বন্ধ হয়ে গেল! ফের বড় অভিযোগ ডায়মন্ড হারবারে
Abhishek Banerjee: ক্যাগের অডিটে দাবি, জমির ভঙ্গুর প্রকৃতির জানা সত্ত্বেও প্রকল্পের আগে যথাযথ ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়নি। ২০২৩ সালে সমীক্ষার পর প্রকল্পটি আর এগোনো যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয় পর্যটন দফতর। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববির অভিযোগ, নদীপাড় সৌন্দর্যায়নের নামে দুর্নীতি হয়েছে।

ডায়মন্ড হারবার: প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ছাড়াই ডায়মন্ড হারবারে নদীর পাড়ের সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ফের দুর্নীতির অভিযোগ উঠল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রে। ক্যাগের অডিট রিপোর্ট তুলে ধরে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা শাসকের কাছে এবং ডায়মন্ড হারবার থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববি।
ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ পিডব্লিউডি দফতরের তৎকালীন আধিকারিক এবং ইঞ্জিনিয়ারদের নাম রাখা হয়েছে সেই অভিযোগে।
বিজেপি সূত্রের খবর, ২০১৭ সালে ডায়মন্ড হারবারের জেটিঘাট থেকে কেল্লার মাঠ পর্যন্ত সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭.১৭ কোটি টাকা। প্রকল্পের দায়িত্ব পায় পিডব্লিউডি। কিন্তু ২০১৯ সালের ১ আগস্টে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন নদীবাঁধের বড় অংশ নদীতে ধসে পড়ায় প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
পরে পিডব্লিউডি নিজেদের তহবিল থেকে প্রায় ১৩.১৬ কোটি টাকা খরচ করে ধসে যাওয়া অংশে মেরামতের কাজ করে। ক্যাগের অডিটে দাবি, জমির ভঙ্গুর প্রকৃতির জানা সত্ত্বেও প্রকল্পের আগে যথাযথ ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়নি। ২০২৩ সালে সমীক্ষার পর প্রকল্পটি আর এগোনো যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয় পর্যটন দফতর। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববির অভিযোগ, নদীপাড় সৌন্দর্যায়নের নামে দুর্নীতি হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
