
মগরাহাট: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন টুইস্ট। ঋতব্রত শিবিরের তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা পড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা হলফনামা জমা দিলেন মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদ। নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক বলে দাবি করে কমিশন ও পুলিশের কাছে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, ঋতব্রতর জমা দেওয়া হলফনামা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন শামিম।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে জয়ের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে দেখা গিয়েছিল শামিম আহমেদকে। তবে সম্প্রতি তাঁর সরিষার কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই গতকাল বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা যায় শামিমকে। তাঁকে পাশে নিয়েই একাধিক অভিযোগ সামনে এনেছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ
সূত্রের খবর, গতকাল বিকেলেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে একটি হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছিল। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা হলফনামা জমা দেন শামিম আহমেদ। কমিশনের পাশাপাশি পুলিশের কাছেও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক।
শামিমের হলফনামায় দাবি করা হয়েছে, ঋতব্রতর পক্ষে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁকে হুমকি দিয়ে জোর করে সই করানো হয়েছিল। অর্থাৎ, স্বেচ্ছায় ওই হলফনামায় সই করেননি তিনি বলে দাবি করেছেন বিধায়ক। পাশাপাশি, নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে শামিম জানিয়েছেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকতে চান। নিজেকে মমতার সৈনিক বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
তবে এই ঘটনায় বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠছে। নির্বাচনে জয়ের পর যাঁকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে দেখা গিয়েছিল, তিনি হঠাৎ কেন অবস্থান বদল করলেন? এতদিন কেন ঋতব্রতর পাশে ছিলেন? আর কী পরিস্থিতিতে তাঁর সই করা হলফনামা জমা পড়েছিল? এই প্রশ্নগুলির স্পষ্ট উত্তর এখনও সামনে আসেনি।