Baruipur Case Hearing: জুড়ল গণধর্ষণ, অপহরণের ধারা, বারুইপুর-কাণ্ডে পকসো আইনে মামলা রুজু
Baruipur Girl Dead: ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। মৃত নাবালিকার যৌনাঙ্গে ছিল একাধিক আঘাতের চিহ্ন। এমনকী জীবিত অবস্থায় নাবালিকাকে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। সোমবার ধৃতদের আদালতে পেশ করা হয়।

বারুইপুর: নাবালিকা হত্যায় এবার জুড়ল ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ধারা। গণধর্ষণ করে নাবালিকাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আজ, সোমবার আদালতে তোলা হলে ধৃত তিনজনের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারুইপুর-কাণ্ডে (Baruipur Case) একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে আগেই।
নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার করা হয় একটি পুকুর থেকে। এই ঘটনায় রবিবারই দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্পর্শকাতর মামলা
এদিন আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি, অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাও বাকি রয়েছে। তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই দুই অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে একজনকে গ্রেফতার করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর রবিবার আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়, সোমবার গ্রেফতার হন আরও একজন।
মামলায় যে ধারাগুলি যুক্ত করা হয়েছে
ধারা ৬৫– ধর্ষণ ধারা ৭০(২)– গণধর্ষণ ধারা ১০৩(১)- খুন ধারা ২৩৮– তথ্য-প্রমাণ লোপাট ধারা ৬১– অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র পকসো আইনের ধারা ৬ ধারা ১৩৭(২) ও ১৪০(২)– নাবালিকাকে অপহরণ
এদিন অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। শুনানির পর রায় সংরক্ষিত রাখা হয়। পরে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
