
দমদম: উপনির্বাচনের ভোট মিটলেই হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে! সেই ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন। সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভরতপুরের বিধায়ক যেভাবে প্রচার বন্ধ করে, হিংসার উসকানি দিচ্ছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর, তা নির্বাচন কমিশনের দেখা উচিত। প্রয়োজনে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবেন পুলিশ-পর্যবেক্ষকরা। এমনটাই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।
প্রতীক পাওয়ার পর গতকাল প্রথম রবিবার ছিল। জোরকদমে যেখানে উপনির্বাচনের প্রচার করার কথা, সেখানেই রেজিনগরের নির্দল প্রার্থী সইফুল ইসলাম গ্রেফতার হওয়ায় বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি জানিয়েছেন, আর নির্বাচনী প্রচার করবেন না।
তবে প্রচার না করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে গিয়েই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন হুমায়ুন। বলেন, “ভোট লুঠ রুখতে গিয়ে খুন হলে হবে…”। তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশ-পর্যবেক্ষকদের কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বললেন তিনি।
রবিবার রাতে উত্তর দমদম বিধানসভার মহাজাতি নগরে প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তপন শিকদারের আবক্ষ মূর্তি উদ্বোধন ও বিধায়ক কার্যালয় উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি হুমায়ুন প্রসঙ্গে বলেন, “সরাসরি কীভাবে হুমকি দিচ্ছে, ওর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ অবজারভার ব্যবস্থা নিতে হবে। বিজেপি এই বিষয় নিয়ে ভাবিত নয়।”
অন্যদিকে উপনির্বাচনের ফল নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি তো গণনার আগেই ফল বলে দিই। সাগরদিঘির সময়ও বলেছিলাম,তৃণমূল জিতবে না। এবারও ৯ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না, ৬ তারিখ সন্ধ্যের সময়ই বলে দেব কী হবে। বিধানসভার আগেও বলেছিলাম ১৭৭ প্লাস। উপরটা কত হবে বলিনি, কিন্তু ১৭৭ প্লাস বলেছিলাম।”
মমতা বন্দোপাধ্যায় রেজিনগরের স্টার ক্যাম্পেনার হওয়ার প্রসঙ্গে তোপ দেগে তিনি বলেন, “একটাতে প্রার্থীই নেই, আরেকটাতে নিজের প্রার্থীর জামানত যদি রাখতে পারে, তাহলে বলব এখনও অস্তিত্ব আছে। ১৬ শতাংশ ভোট লাগে জামানত বাঁচাতে।”
রবিউল আলম চৌধুরীর প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “৪ তারিখ রাতেই বলেছিলাম ওর নাম আর নিশান উঠে যাবে।ওর নাম উঠে গেছে,এবার নিশানটাও উঠে যাবে। জামানত জব্দ হবে।”