Islampur: জাপটে ধরে কাদায় মাখামাখি! ৪৫ দিন ফেরার, বাবার ‘খুনি’কে ধরিয়ে দিল মেয়ে

Father's Death Case Accused Arrested: ঘটনার প্রায় সাত দিন পর কৌশিকের বাবা গ্রেফতার হলেও মূল অভিযুক্ত-সহ কয়েকজন অধরা ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামপুর বাস টার্মিনাস এলাকায় কৌশিককে দেখতে পান সঙ্গীতা। প্রথমে তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখেন। পরে তুতো বোন সুতপাকে ডেকে এনে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় কৌশিককে জাপটে ধরেন।

Islampur: জাপটে ধরে কাদায় মাখামাখি! ৪৫ দিন ফেরার, বাবার খুনিকে ধরিয়ে দিল মেয়ে
বাঁদিকে ধৃত যুবকImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 31, 2026 | 1:15 PM

ইসলামপুর: বাবার মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সরব ছিল পরিবার। অবশেষে প্রায় ৪৫ দিন পর সেই অভিযুক্তকে নিজের তুতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন নিহতের মেয়ে সঙ্গীতা মণ্ডল। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামপুর বাস টার্মিনাস এলাকায় রীতিমতো ধস্তাধস্তি করে কৌশিক মণ্ডল নামে ওই অভিযুক্তকে পাকড়াও করেন দুই বোন। তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। অভিযুক্তকে ধরার সময় কাদায় মাখামাখি হয়ে যায় সঙ্গীতার পোশাক।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইসলামপুর থানার নন্দঝাড় এলাকার অলিপুরে মারধরের ঘটনায় গুরুতর জখম হন সঙ্গীতার বাবা রঞ্জিৎ মণ্ডল। অভিযোগ, দাদা রবীন্দ্রনাথ মণ্ডলকে বাঁচাতে গিয়ে কৌশিক মণ্ডল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হামলার মুখে পড়েন রঞ্জিৎ। তাঁকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার।

অভিযোগ, ঘটনার প্রায় সাত দিন পর কৌশিকের বাবা গ্রেফতার হলেও মূল অভিযুক্ত-সহ কয়েকজন অধরা ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামপুর বাস টার্মিনাস এলাকায় কৌশিককে দেখতে পান সঙ্গীতা। প্রথমে তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখেন। পরে তুতো বোন সুতপাকে ডেকে এনে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় কৌশিককে জাপটে ধরেন। পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে আটকে রাখা সম্ভব হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে ইসলামপুর থানার পুলিশ।

ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। থানা থেকে অল্প দূরত্বে একজন খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত কীভাবে প্রায় ৪৫ দিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়দের একাংশ। অন্যদিকে, বাবার মৃত্যুর বিচার চেয়ে অভিযুক্তকে নিজেরাই ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ায় সঙ্গীতা ও সুতপার সাহসিকতার প্রশংসা করছেন বাসিন্দারা।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us