
ঢাকা: দেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ের কাণ্ডারী ছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীনতা পেয়ে বাংলাদেশ হয়েছিল। সেই জাতির জনককেই এমন অসম্মান। ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শেখ মুজিবর রহমানের ধানমন্ডির বাড়ি। শেখ হাসিনার বাড়ি সুধা সদন ও খুলনার শেখ হাউসও ভেঙেচুরে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। লাগাতার এই হামলার বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠল আওয়ামি লীগ। বাংলাদেশ জুড়ে একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা করল।
আওয়ামি লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্র লীগ, যাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইউনূস প্রশাসন, তারা পথে নামতে চলেছে। মুজিবরের বাড়ি ভাঙা এবং বাংলাদেশ জুড়ে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে।
পাশাপাশি আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মশাল মিছিল এবং তার পরের দিন দেশজুড়ে হরতালের ডাক দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ছাত্র লীগের পেজ থেকেই বক্তব্য় রাখার কথা ছিল বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই খবর প্রচারের পরই রোষ আছড়ে পড়ে শেখ মুজিবর রহমানের উপরে। ৩২, ধানমন্ডির ঐতিহ্যবাহী বাড়িতে হামলা চালায়। ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় মুজিবরের বাড়িতে। এরপরে মাঝ রাতে বুলডোজার এনে বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়। মুজিবরের মুর্যালও ভেঙে দেওয়া হয়। মিউজিয়ামে থাকা বই, এমনকী গাছের ডাবও লুঠ করা হয়।