
নয়া দিল্লি : ইরান-আমেরিকার (Iran-US War) যুদ্ধে প্রভাব পড়ছে বিশ্ববাণিজ্যে। একটা-দু’টো দিন নয়। প্রায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে জটিল পরিস্থিতি। তেলের সংকট (Crude Oil Crisis) তৈরি হচ্ছে, বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছে, কোনও কোনও দেশে জ্বালানির ভাঁড়ার প্রায় তলানিতে চলে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও উদ্বেগ বাড়াল তেলের মূলবৃদ্ধি। আজ বাজার খুলতেই দেখা গেল চড়চড়িয়ে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম (Crude Oil Price hike)। গত চার বছরে নাকি এত দাম বাড়েনি তেলের। তাহলে কি এবার পেট্রোল-ডিজ়েলের দামও বাড়তে চলেছে?
অপরিশোধিত তেলের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অনেকটাই বেড়েছে। জুন মাসের সরবরাহের জন্য ১.৯৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি দাম হয়েছে ১২০ ডলার। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে ১০৭.০৯ ডলারে পৌঁছেছে। শেষ ২০২২ সালের জুন মাসে তেলের দাম রেকর্ড হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তারপর ২০২৬ সালে আবার সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ল অপরিশোধিত তেলের দাম।
পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম কি বাড়বে?
সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়েছে, ভোট মিটলেই নাকি পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম বাড়বে। মে মাসের শুরু থেকেই দাম বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজ়েলের। তবে, কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম বাড়বে না। যদিও এই খবর তেলের দাম বাড়ার আগে ছিল। আন্তর্জাতিক তেলের দাম বাড়লে কী হবে, ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করছে আমেরিকা
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছে, পারমাণবিক চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলবে না। ইরানের উপর ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। কিন্তু, ইরানও মাথা নোয়াতে নারাজ। তেহরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাল্টা শর্ত দিচ্ছে। কিন্তু সেই শর্তও আমেরিকা কোনওভাবেই মানবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে ট্রাম্পের।