
মালে: ভারতীয় সেনাকে তাড়িয়ে নিজের পায়েই কুড়ুল মেরেছে মলদ্বীপ। এখন তার ফল হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। ভারতের দান করা বিমান তো রয়েছে, কিন্তু তা ওড়ানোর জন্য পাইলট নেই। মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিজেই স্বীকার করে নিলেন এই কথা।
মলদ্বীপের নতুন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু শপথ গ্রহণের দিনই বলেছিলেন ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের কথা। এরপর একাধিকবার ভারতের সঙ্গে বিরোধ, সেনা প্রত্যাহারের জন্য ক্রমাগত চাপ দিয়েছে মলদ্বীপ। শেষে ভারত ৭৬ জন সেনাকে প্রত্যাহার করে নেয়। আর এই সেনা প্রত্যাহারের দিন কয়েক পরই সুর নরম মলদ্বীপের। সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘাসান মাউমুন কার্যত নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিয়ে জানালেন, ভারতে দেওয়া তিনটি এয়ারক্রাফ্ট ওড়ানোর জন্য পাইলট নেই মলদ্বীপ সেনাবাহিনীতে।
গত সপ্তাহের শনিবার মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের বিষয় নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “মলদ্বীপের সেনাবাহিনীতে ভারতের দেওয়া দুটি হেলিকপ্টার ও ডর্নিয়ার এয়ারক্রাফ্ট ওড়ানোর জন্য কোনও দক্ষ পাইলট নেই। সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, তার একাধিক পর্যায় থাকায়, বিভিন্ন কারণে তারা এখনও সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়নি। সেনায় খুব বেশি কেউ নেই যাদের এই এয়ারক্রাফ্ট ও হেলিকপ্টার ওড়ানোর লাইসেন্স রয়েছে।”
প্রসঙ্গত, চীনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। 10 মে-র মধ্যে দ্বীপরাষ্ট্র থেকে সমস্ত ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন তিনি। এরপরই ভারত ৭৬ জন ভারতীয় সেনাকে মলদ্বীপ থেকে প্রত্যাহার করে।
তবে, মলদ্বীপ সরকারের সেনহিয়া সামরিক হাসপাতাল থেকে ভারতীয় চিকিৎসকদের অপসারণের কোনও পরিকল্পনা নেই বলেই মলদ্বীপের সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।