
ওয়াশিংটন : লেবনান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল। আরও তিন সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি দুই দেশ দ্বিতীয়বার বৈঠকে বসেছিল। সেই বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে ও তারা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে ইজ়রায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার মধ্যেই লেবাননে ফের হামলা করেছিল ইজ়রায়েল। সেই হামলায় একজন সাংবাদিক-সহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ইজ়রায়েল-লেবানন বৈঠক
গতকালই দ্বিতীয়বার বৈঠকে বসেন ইজ়রায়েল ও লেবানন নেতৃত্ব। হোয়াইট হাউজ়ে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন ইজ়রায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এবং লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পও। এছাড়াও ছিলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স, বিদেশসচিব মার্কো রুবিও। হোয়াইট হাউজ়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওভাল অফিসে মার্কিন মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় দফা আলোচনা হয় দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের মধ্যে।
বৈঠক নিয়ে ট্রাম্প বলেন…
বৈঠক প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “বৈঠকটি খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। হিজ়বুল্লার হাত থেকে আত্মরক্ষায় লেবাননকে সাহায্য করার জন্য আমেরিকা দেশটির সঙ্গে কাজ করবে। ইজ়রায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হল।” একইসঙ্গে ট্রাম্পের দাবি, লেবাননে শান্তি ফিরিয়ে আনতে গেলে হিজবুল্লাকে আর্থিক সাহায্য বন্ধ করতে হবে ইরানকে।
ট্রাম্প আরও জানান, তিনি আশা করছেন ভবিষ্যতে হোয়াইট হাউজ়ে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউনকে বৈঠকের আয়োজন করতে পারবেন। এরকম একটি বৈঠক আয়োজনের জন্য তিনি উৎসুক হয়ে রয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ” আমি অদূর ভবিষ্যতে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউনকে স্বাগত জানানোর জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। ঐতিহাসিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করা এক বিরাট সম্মানের বিষয়।”
১৬ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর লেবাননে ইজ়রায়েলি বিমান হামলায় একজন সাংবাদিকসহ অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তার একদিন পরই এই বৈঠক হয়।