
ঢাকা: বিপদ বাড়ল হাসিনার। ৮০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে হাসিনার বিরুদ্ধে শুরু হল তদন্ত। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন শাখার অধীনে চলবে অনুসন্ধান। শুধুই হাসিনা নয়, এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে রেহানা-সহ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকেরও।
ছেলে সজীব ও ভাগনি টিউলিপের মাধ্যমে মালেশিয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৫০০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ সে দেশের দুর্নীতি দমন শাখার। এছাড়া আরও একাধিক প্রকল্পে চলেছে আর্থিক তছরুপ। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্প এই রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র। আর সেখানেই দুর্নীতিতে নাম জড়াল হাসিনা ও তাঁর পরিবারের।
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ ছেড়ে আপাতত দিল্লিতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও নেই স্বস্তি। সম্প্রতি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে খোদ হাসিনাই অপরাধ দমনে এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করেছিলেন।
তবে এখানেই থেমে থাকা নয়। হাসিনার স্নায়ুচাপ বাড়াতে আওয়ামী লিগের একের পর মন্ত্রী-নেতা বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে ইউনূস সরকার। তাছাড়াও, দেশের ১০টি বড় কোম্পানির বিরুদ্ধে অর্থ পাচার-সহ একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। আর প্রতিটি কোম্পানির বেনিয়মে নাম জড়িয়েছে হাসিনারও।
২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্য়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ২৩৪০০ কোটি ডলার পাচার করা হয়েছে। যার জেরে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংকট। আর সেই সংকট মেটাতেই বিশ্ব ব্যাঙ্কের মতো একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থার থেকে ঋণ নিচ্ছে বাংলাদেশ। এই অবস্থায় ১০টি কোম্পানির মাধ্যমে পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার। তবে ইউনূস সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি শেখ হাসিনা।