Bangladesh Fuel Crisis: সন্ধে নামলেই লাইট অফ অফিস থেকে শপিং মলের! এ কী অবস্থা বাংলাদেশে…

Fuel Shortage news: ব্যাঙ্কও এক ঘণ্টা কম খোলা থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, তফসিলি ব্যাঙ্কের লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমানো হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে। ব্যাঙ্কের লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত।

Bangladesh Fuel Crisis: সন্ধে নামলেই লাইট অফ অফিস থেকে শপিং মলের! এ কী অবস্থা বাংলাদেশে...
ফাইল চিত্র।Image Credit source: Md. Rakibul Hasan Rafiu/NurPhoto via Getty Images

|

Apr 05, 2026 | 6:00 PM

ঢাকা: জ্বালানি সঙ্কট তীব্র। কতদিন দেশ চলবে, বলা যাচ্ছে না। এর পরে যদি জ্বালানি না থাকে? তাহলে বিদ্যুৎ আসবে কোথা থেকে? জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, এই আবহতেই বড় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের। দেশের সমস্ত অফিস থেকে শুরু করে দোকানপাট, শপিং মল খোলা ও বন্ধ করার সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হল।

ইরান-আমেরিকার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে, তার প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিল তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। সরকারি সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, আজ, রবিবার থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ন’টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত। এতদিন সকাল ন’টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অফিস হত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এক ঘণ্টা কম অফিস চলবে বলেই জানানো হয়েছে। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

ব্যাঙ্কও এক ঘণ্টা কম খোলা থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, তফসিলি ব্যাঙ্কের লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমানো হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে। ব্যাঙ্কের লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত। শুক্র ও শনিবার ছুটি থাকবে।

দোকান, শপিং মল সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত সমস্ত দোকান, শপিং মল খোলা রাখার কথা বলা হয়েছিল। পরে দোকানদাররা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ করেন সময়সীমা বদল করার। সেই অনুযায়ী, আজ রবিবার বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, সন্ধে ৬টার বদলে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত দোকান, শপিং মল খোলা থাকবে।

তবে এই নিয়ম থেকে জরুরি পরিষেবাগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মী, হাসপাতাল, গণমাধ্যম, বিদ্যুৎ, জল, গ্যাস, জ্বালানি, দমকল, বন্দর, টেলিফোন, ইন্টারনেট- এই সমস্ত জরুরি পরিষেবাগুলির ক্ষেত্রে নতুন সময়সীমা কার্যকর হবে না।

Follow Us