
ওমান: নতুন করে ফের অশান্ত দুবাই। মার্কিন দূতাবাসে ইরানের হামলা। মার্কিন দূতাবাসে আছড়ে পড়ল ইরানি ড্রোন। দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায় দূতাবাসে। মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলা হলে নিকেশের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন ডিফেন্স সচিব। সেই হুঁশিয়ারিকে কার্যত গ্রাহ্য করল না ইরান। সরাসরি দুবাইয়ের কনসুলেটে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের দাবি, দূতাবাসে আগুন ধরলেও, কেউ হতাহত হয়নি। এর জেরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় প্রভাবের আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, ইরানে হামলার তীব্রতা বাড়াল ইজরায়েল। ইরানের দাবি, তেহরান বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। পূর্ব তেহেরানের বাসিন্দাদের ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলে হামলা চালায় ইজরায়েল। ইরানের দক্ষিণে বুশেহর শহরে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটা যাত্রীবাহী বিমানও ধ্বংস করেছে ইজরায়েল। তাতে যাত্রী ছিলেন কিনা, থাকলেও কতজন, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।
মার্কিন সেনা সূত্রে খবর, গত চার দিনে ১ হাজার ৭০০ টি জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে,ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে ফের ইজরায়েলি হানা। গোপন পরমাণু কেন্দ্রে হানা দেয় বায়ুসেনা। নিখুঁত হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মিনজাদেহেই ঘাঁটি। ইরানি বিজ্ঞানীরা এখানে পরমাণু বোমার প্রয়োজনীয় উপকরণ বানাতেন বলে দাবি। তবে এখানে রি-এক্টর নেই, তাই তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর ভয় নেই।
মঙ্গলবারই ট্রাম্প বলেছেন— তিনি অভিযান না চালালে ইরান আগামী কয়ক মাসেই পরমাণু অস্ত্র বানিয়ে ফেলত। আর ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে তিনি দেবেন না।