
তেহরান: মধ্য প্রাচ্যে ভয়ঙ্কর সংঘাত। ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান ইজরায়েল-আমেরিকার। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। একযোগে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরিন সহ সাতটি দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে সবথেকে চর্চা হচ্ছে যাকে নিয়ে, তিনি হলেন খামেনেই। এই ভয়ঙ্কর সংঘাতে নাকি মৃত্যু হয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। এই কথা কোনও সূত্র নয়, বলছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কি সত্যিই খামেনেই আর বেঁচে নেই?
গতকাল, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে প্রথম হামলা চালায় ইজরায়েল। তেহরানের একাধিক জায়গায় মিসাইল আছড়ে পড়ে। তার মধ্যে সুপ্রিম লিডার খামেনেইয়ের অফিস, প্রেসিডেন্টের বাসভবনও ছিল। এরপরই জল্পনা তৈরি হয়, খামেনেই বেঁচে আছে তো? ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, খামেনেইয়ের যে মৃত্যু হয়েছে, তার একাধিক আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যদিও ইরান এই দাবি মানতে নারাজ। তাদের কথায়, সুপ্রিম লিডারের কিছু হয়নি। তিনি নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন।
এদিকে রাত গড়াতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে লেখেন, “খামেনেই, ইতিহাসের সবথেকে শয়তান মানুষ আর নেই। এটা শুধু ইরানের মানুষদের জন্য সুবিচার নয়, বরং সকল আমেরিকান ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জন্য যাদের খামেনেই ও তাঁর গোষ্ঠী হত্যা করেছে।”
ট্রাম্প নিজেদের সাফল্যগাঁথা তুলে ধরে বলেন, আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমকে এড়াতে পারেনি। ইজরায়েলের সঙ্গে কাজ করছি আমরা, ওঁ (খামেনেই) বা অন্য কোনও নেতা কিছু করতে পারবে না। ইরানের মানুষদের জন্য এটাই একমাত্র সুযোগ নিজেদের দেশের দখল নেওয়ার জন্য।
বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি, খামেনেইয়র বাসভবনে হামলা করেছিল ইজরায়েল। কমপক্ষে ৩০টি বোমা ফেলা হয়েছিল খামেনেইয়ের বাসভবনের উপরে। দুটি ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি, খামেনেইয়ের মৃতদেহের ছবি দেখানো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে।