
ওয়াশিংটন: পৃথিবী থেকে ৪ লক্ষ ৬ হাজার ৭৭৮ কিলোমিটার দূরে পাড়ি। মানব ইতিহাসে এতদূর কেউ যায়নি। সেই মিশন সফল করে পৃথিবীতে আবার ফিরে এল মহাকাশ যান। প্রশান্ত মহাসাগরে স্প্ল্যাশডাউনের মাধ্যমেই সফল হল নাসার আর্টেমিস টু (Artemis II) মিশন। সুস্থভাবে ফিরে এলেন নাসার পাঠানো চার মহাকাশচারী।
একবিংশ শতাব্দীতে এটিই প্রথম মহাকাশচারীদের নিয়ে চাঁদে অভিযান ছিল। ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্টে চেপে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন কম্যান্ডার রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ ও জেরেমি হানসেন। তারা চাঁদের চারপাশে ১০ দিন প্রদক্ষিণ করে ফের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করেন।
Welcome home Reid, Victor, Christina, and Jeremy! 🫶
The Artemis II astronauts have splashed down at 8:07pm ET (0007 UTC April 11), bringing their historic 10-day mission around the Moon to an end. pic.twitter.com/1yjAgHEOYl
— NASA (@NASA) April 11, 2026
ঘণ্টায় ৪০ হাজার কিলোমিটার গতিতে পৃথিবীর পৃষ্ঠে প্রবেশের পর, প্যারাসুটে করে প্রশান্ত মহাসাগরে তাদের স্প্ল্যাশডাউন হয়। এরপরে নাসা ও মার্কিন নৌসেনা সমুদ্রে আছড়ে পড়া ক্য়াপসুল থেকে মহাকাশচারীদের সুরক্ষিতভাবে বের করে আনেন।
Orion’s main parachute has deployed. The spacecraft has a system of 11 chutes that will slow it down from around 300 mph to 20 mph for splashdown.
Get more updates on the Artemis II blog: https://t.co/7gicm7DWBt pic.twitter.com/ReXHTfkFld
— NASA (@NASA) April 11, 2026
নাসার অ্যাপোলো অভিযানের পর এই প্রথম কোনও মানব অভিযান হল চাঁদে। যদিও মহাকাশচারীরা সরাসরি চাঁদের মাটিতে পা রাখেননি। এর আগে আর্টেমিস ওয়ানে (Artemis I) কোনও মহাকাশচারী যাননি। এবারের অভিযানে মহাকাশচারীরা চাঁদের পরিবেশে জীবন বাঁচা সম্ভব কি না (life-support systems), তার পরীক্ষা, নেভিগেশন ও ডিপ স্পেস অপারেশন সহ একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা করেছেন। ছবি তুলে পাঠিয়েছেন চাঁদের পৃষ্ঠের।
নাসা জানিয়েছে, এই অভিযান পরবর্তী চন্দ্র অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক পদক্ষেপ। পরবর্তী মিশনে চাঁদে মানুষ নামানোর পরিকল্পনা নাসার। বিগত পাঁচ দশকে প্রথমবার এমনটা হবে।