
অমৃতসরের কাছে অবস্থিত পাকিস্তানের লাহোর শহর তার পুরোনো রুপে ফিরছে। গত দুই মাসে লাহোরের ৯টি জায়গার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। ইসলামিক নামগুলো বদলে ফেলে আগের হিন্দু ও ব্রিটিশ আমলের নাম আবার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। (Credit - Getty Images)

নতুন সিদ্ধান্তের পর ইসলামপুর এলাকার নাম এখন থেকে হবে 'কৃষ্ণনগর'। একইভাবে বাবরি মসজিদ চোখের নাম বদলে রাখা হয়েছে 'ওল্ড জৈন মন্দির চক'। ইতিমধ্যে সেখানে নতুন বোর্ড লাগানো হয়েছে এবং কোনও রকম ঝামেলা ছাড়াই কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। (Credit - Getty Images)

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ জানিয়েছেন, দিল্লির গেটসহ লাহোরের ৮টি ঐতিহাসিক তোরণ নতুন করে সাজানো হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে পাকিস্তানের সিন্ধু ও খাইবার পাখতুনওয়া প্রদেশের জায়গাগুলোর পুরোনো নাম ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। (Credit - Getty Images)

লাহোরের শিক্ষক সাদ মালিকের মতে, এটি খুব ভাল একটি সিদ্ধান্ত। কাগজে-কলমে নাম মওলানা জাফর আলী চক হলেও, সাধারণ মানুষ একে সবসময় 'লক্ষ্মী চক' বলেই ডাকত। এই নামটির সাথে বহু প্রজন্মের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। (Credit - Getty Images)

স্থানীয় মৌলানা ওয়াজিদ কাদরী জানান, ইসলামে মন্দির বা গুরুদ্বার নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। ১৯৯০ এর দশকে রাজনৈতিক কারণে জৈন মন্দির চোখের নাম বাবরি মসজিদ রাখা হয়েছিল। আদি পুরুষদের দেওয়া হিন্দু নামের সাথে মুসলিমদের বিশ্বাসের কোনও সংঘাত নেই। (Credit - Getty Images)

গত ১৯ মার্চ নওয়াজ শরীফ ও মরিয়ম নওয়াজের এক বৈঠকে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নওয়াজ শরীফ জানান, ইউরোপের মতো আমাদেরও ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। লাহোরের পুরোনো নামগুলোই এই শহরের আসল পরিচয়। (Credit - Getty Images)

নতুন তালিকায় বেশ কিছু প্রধান এলাকার নাম বদলে গিয়েছে। ইসলামপুরা হয়েছে কৃষ্ণনগর, সুন্নত নগরের নাম বদলে রাখা হয়েছে সন্তনগর ও মুস্তফাবাদ এলাকাটি এখন থেকে তার পুরোনো নাম 'ধর্মপুরা' হিসেবেই পরিচিত হবে। (Credit - Getty Images)

হিন্দু নামের পাশাপাশি ব্রিটিশ আমলের পুরোনো নামগুলোও ফিরে এসেছে। এখন থেকে স্যার আগা খান চক হবে ডেভিস রোড, আল্লামা ইকবাল রোদকে জেল রোড, ফাতেমা জিন্না রোদকে কুইন্স রোড এবং বাগ-ই-জিন্নাহকে লরেন্স রোড বলা হবে। (Credit - Getty Images)