
ইসলামাবাদ: গোটা বিশ্বের নজর পাকিস্তানের উপরে। আজ সেখানে মুখোমুখি হচ্ছে আমেরিকা ও ইরান। যুদ্ধ কি পুরোপুরিভাবে থামাতে রাজি হবে দুই দেশ? নাকি সংঘর্ষ বিরতি ভেঙে আবার যুদ্ধ হবে? ঐতিহাসিক হতে পারে এই শান্তি চুক্তি। দুই দেশের মধ্য়ে মধ্যস্থতাকারীর কাজ করছে পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। সঙ্গে আছেন ট্রাম্পের জামাই, জেরেড কুশনার। ইরানের প্রতিনিধি হিসাবে বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাজি, সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ শুক্রবারই পৌঁছেছেন পাকিস্তানে।
ইরান-আমেরিকা উভয় দেশই জানিয়েছে, যুদ্ধ থামানোর শর্ত কী কী হবে, তা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। আজ সকালেই দুই দেশের বৈঠকে বসার কথা। অন্যদিকে, সংঘর্ষ বিরতির মাঝেও ইজরায়েল টানা লেবাননে হিজবুল্লার ঘাঁটিতে আক্রমণ করছে। লেবাননে হামলা থামানো ইরানের শর্তের অংশ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগেই জেডি ভান্স বলেছেন, “আমরা আলোচনা নিয়ে আশাবাদী। আমি মনে করি ইতিবাচক আলোচনা হবে”। জানা গিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন নিজস্ব ১৫ পয়েন্টের ফ্রেমওয়ার্ক বানিয়ে এনেছে। তবে সেই ১৫ পয়েন্ট কী কী, তা জানা যায়নি। সূত্রের খবর, আমেরিকা ইরানকে তাদের পরমাণু অস্ত্র তৈরি বন্ধ করতে, ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার আমেরিকার হাতে তুলে দিতে, সেনা ক্ষমতার সীমা এবং হরমুজ প্রণালী খুলতে বলবে। ইরান সেই প্রস্তাব মানবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
এদিকে, লেবানন নিয়েও অনিশ্চয়তার মেঘ তৈরি হয়েছে। ইজরায়েল যেহেতু লাগাতার হামলা করছে লেবাননে, তাই ইরান আদৌ সংঘর্ষবিরতি বা যুদ্ধ থামাতে রাজি হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরানের প্রতিনিধি সাফ বলেছেন যে লেবাননে হামলা না থামালে, কোনও আলোচনা শুরু হবে না।