উল্লেখ্য, ইউক্রেনে রুশ সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই পরমাণু হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই রাশিয়ার সেনা বাহিনী বিশ্বের সবথেকে তেজস্ক্রিয় অঞ্চল চেরোনোবিল পরমাণু কেন্দ্র দখল করে নেয়। এরপরই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে, রুশ সেনা হয়তো চেরোনোবিল থেকেই ইউক্রেনের উপরে পরমাণু হামলা চালাতে পারে। এরপর জ়াপরঝিয়া পরমাণু বিদ্য়ুৎ কেন্দ্রে মিসাইল হামলা চালানোয় সেই আশঙ্কা আরও বাড়ে।

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই ইস্তানবুলে রাশিয়া-ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। বৈঠকের পরই রাশিয়ার তরফে জানানো হয় যে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও চেরেনিহিভ শহর থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে। ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে সেনা প্রত্য়াহার মানেই যুদ্ধবিরতি নয়, একথাও বুঝিয়ে দিয়েছে রুশ সেনা।

আরও পড়ুন: US on Imran Khan’s Claim: ইমরানের মুখ ফসকে বেরল আমেরিকার নাম! জবাবে কী বলল ওয়াশিংটন?

আরও পড়ুন: US on India-Russia Relation: ‘চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করলে রাশিয়া বাঁচাতে আসবে না!’, ভারতকে কড়া বার্তা আমেরিকার