US on Imran Khan’s Claim: ইমরানের মুখ ফসকে বেরল আমেরিকার নাম! জবাবে কী বলল ওয়াশিংটন?
US on Imran Khan's Claim: বিদেশি চক্রান্তকারী দেশের কথা বলতে গিয়েই মুখ ফসকে আমেরিকার নাম উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "গত ৮ মার্চ বা তার আগে আমেরিকা... না আমেরিকা নয়, অন্য একটি রাষ্ট্র থেকে আমাদের বার্তা পাঠানো হয়।"

ওয়াশিংটন: প্রধানমন্ত্রীর গদি থেকে সরানোর জন্য বিদেশ থেকে চক্রান্ত করা হচ্ছে, এমনটাই দাবি করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান(Imran Khan)। তিনি দাবি করেছিলেন, বিদেশী শক্তিরা তাঁকে সরিয়ে নিজেদের হাতের পুতুলকে ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। নাম না করেই আমেরিকা(USA)-কে নিশানা করেন তিনি। তবে ইমরান খানের এই দাবি সরাসরি উড়িয়ে দিল আমেরিকা। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনের তরফে জানানো হয়, এই অভিযোগের কোনও সত্যতা নেই।
যেকোনও মুহূর্তেই পদ খোয়াতে পারেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে সংসদে। আগামী ৩ এপ্রিল এই প্রস্তাবের ভোটগ্রহণ করা হবে। এরই আগে গতকাল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি বলেন, “অনেক দেশই বলছে ইমরান খানকে সরিয়ে দেওয়া হলে তবেই তারা পাকিস্তানকে ক্ষমা করবে। কিন্তু আমি যদি সরে যাই তবে পাকিস্তান চরম সমস্যার মধ্যে পড়বে।”
ইমরান খান আরও বলেন, “তাদের তিনটি হাতের পুতুল রয়েছে, যাঁরা আমাকে সরিয়ে দিয়ে একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে চায়। তা নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই। তবে আপনারা কী চান এমন একজন আপনাদের নেতৃত্ব দিক, যাঁর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে?”
বিদেশি চক্রান্তকারী দেশের কথা বলতে গিয়েই মুখ ফসকে আমেরিকার নাম উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “গত ৮ মার্চ বা তার আগে আমেরিকা… না আমেরিকা নয়, অন্য একটি রাষ্ট্র থেকে আমাদের বার্তা পাঠানো হয়। স্বাধীন দেশ হিসাবে এই ধরনের বার্তা পাওয়া যথেষ্ট বিপদজনক।”
অন্যদিকে, ইমরান খানের এই দাবির পরই আমেরিকার তরফে প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, “আমরা পাকিস্তানের পরিস্থিতির উপরে কড়া নজর রাখছি। আমরা পাকিস্তানের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও আইনের শাসনকে সম্মান ও সমর্থন করি”। ইমরান খানের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য বলেই দাবি করে ওয়াশিংটন।
