US Firing Squad Controversy: মৃত্যুর লাইভ টেলিকাস্ট? স্কুলের শিশুদের মনে কী প্রভাব পড়বে? ট্রাম্পের কাছে জমা পড়ল ৭৫০টা স্কুলের আবেদন

US Firing Squad and Gulf War Memories: আমেরিকার রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, নিদাল মালিক হাসানের মৃত্যু লাইভ দেখিয়ে মিড-টার্ম ইলেকশনে বাজিমাত করতে চাইছেন ট্রাম্প। যে দেশে যে কেউ চাইলেও বন্দুক কিনতে পারে, টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিতে পারে, বন্দুকবাজের হামলায় প্রতি বছর হাজার হাজার লোকের মৃত্যু হয়, সেখানে ফায়ারিং স্কোয়াড লাইভ দেখালে বোঝাই যায় কী হতে পারে।

US Firing Squad Controversy: মৃত্যুর লাইভ টেলিকাস্ট? স্কুলের শিশুদের মনে কী প্রভাব পড়বে? ট্রাম্পের কাছে জমা পড়ল ৭৫০টা স্কুলের আবেদন
হেগসেথImage Credit source: TV9 Bangla

Oct 15, 2026 | 12:20 PM

গ্যাব্রিয়েল পৃথিবী বিখ্যাত উপন্যাস, ওয়ান হানড্রেড ইয়ার্স অফ সলিটুডের শুরুতে লিখেছিলেন গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ। আমেরিকায় ফায়ারিং স্কোয়াড নিয়ে যা কুরুক্ষেত্র কান্ড ঘটেছিল, তাতে মার্কেজের বিখ্যাত উপন্যাসের লাইনগুলো মনে পড়ে। নম্বইয়ের দশকে প্রথম গাল্ফ ওয়ারের স্মৃতি আমাদের অনেকের মনে এখনও টাটকা।  আমেরিকার ছোঁড়া টোমাহকের ক্ষমতা দেখা গিয়েছিল। সাদ্দাম হুসেনের মরিয়া লড়াই দেখা গিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার সাড়ে ৩ দশক পর এবার কি ফায়ারিং স্কোয়াডও লাইভ!

নিদাল মালিক হাসান। মার্কিন সেনার প্রাক্তন মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। ২০০৯ সালে আমেরিকার এক সেনাঘাঁটিতে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে ১২ সেনা সহ মোট
১৩ জনকে খুন করেছিল নিদাল। সম্প্রতি নিদালকে মৃত্যুদন্ডের নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন আদালত। চলতি বছরের থার্ড ডিসেম্বর মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে। এবং সেই রায় অনুমোদন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ ঘোষণা করেই দিয়েছিলেন, ওর মানে নিদালকে গুলি করে মারে।

হেগসেথের দাবি শুনে মার্কিনীদের অনেকেরই চোখ কপালে উঠেছিল। গত তিনদিনে এর বিরুদ্ধে কয়েক-শো আবেদন, আদালতে মামলা। হেগসেথ পিছু হটার লক্ষ্মণ দেখাননি। রবিবার ভারতীয় সময় রাত দেড়টা নাগাদ ট্রাম্পকে ফোন করেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের ডেপুটি চিফ। তাঁর বক্তব্য, এভাবে মৃত্যুদন্ড লাইভ দেখানো যায় না। সেটা হলে সমাজে তাঁর প্রভাব খুব, খুব খারাপ হবে। ফায়ারিং স্কোয়াড তখন একটা ট্রেন্ড হয়ে উঠবে। ট্রাম্প পাত্তা দিয়েছেন কীনা জানি না।

আমেরিকার রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, নিদাল মালিক হাসানের মৃত্যু লাইভ দেখিয়ে মিড-টার্ম ইলেকশনে বাজিমাত করতে চাইছেন ট্রাম্প। যে দেশে যে কেউ চাইলেও বন্দুক কিনতে পারে, টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিতে পারে, বন্দুকবাজের হামলায় প্রতি বছর হাজার হাজার লোকের মৃত্যু হয়, সেখানে ফায়ারিং স্কোয়াড লাইভ দেখালে বোঝাই যায় কী হতে পারে।

আমেরিকার প্রায় ৭৫০টি স্কুলও এনিয়ে ট্রাম্পের দ্বারস্থ হয়। প্রেসিডেন্টকে তাঁদের অনুরোধ, দয়া করে এটা করবেন না। এতে শিশু এবং স্কুল পড়ুয়াদের বিগড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। ঘরে- বাইরে চাপের মুখে কিছুক্ষণ আগে সুর নরম করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের ঘোষণা নয়, শুধু বললেন, হেগসেথ নয়, তিনিই এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us