US Buying Russian Fuel: এ কেমন দ্বিচারিতা, ভারত তেল কিনলে শুল্কের সাজা, ট্রাম্প নিজেই ডিজেল কিনবেন রাশিয়ার কাছ থেকে!

Donald Trump Decision: ২০২৫ সালেই ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপান। সেই সময় জানানো হয়েছিল যে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্যই পেনাল্টি বা জরিমানা হিসাবে ওই অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসের যুক্তি ছিল, রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেছে।

US Buying Russian Fuel: এ কেমন দ্বিচারিতা, ভারত তেল কিনলে শুল্কের সাজা, ট্রাম্প নিজেই ডিজেল কিনবেন রাশিয়ার কাছ থেকে!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।Image Credit source: PTI

|

Oct 10, 2026 | 12:13 PM

ওয়াশিংটন: দ্বিচারিতার চরম সীমা। ভারতের রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে আপত্তি। তার জন্য ভারতের উপরে ১০০ শতাংশ ট্যারিফ বা শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আমেরিকা। সেই আমেরিকা নিজেই এখন রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনবে! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি চুক্তির ঘোষণা করলেন। এই চুক্তিতেই রাশিয়া থেকে ডিজেল আমেরিকায় আমদানি করবে আমেরিকা।

গত ৯ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে এই চুক্তিতে অবিলম্বে ৩ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করবে। এরপরে আগামী মাসে বাকি জ্বালানি রফতানি হবে।

ভারতের উপরে অতিরিক্ত শুল্কের চাপ-

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালেই ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপান। সেই সময় জানানো হয়েছিল যে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্যই পেনাল্টি বা জরিমানা হিসাবে ওই অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসের যুক্তি ছিল, রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেছে। তাদের অর্থনীতিতে যাতে কোনও রকম সাহায্য না করা হয়, তার জন্যই নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারত, চিনের মতো দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য এই দেশগুলির উপরে অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়।  সম্প্রতি মার্কিন সভায় রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ক্রেতাদের উপরে শুল্ক নিয়েও বিধান পাশ করানো হয়।  ওই আইনে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়।

নিজে কেন ডিজেল কিনবে?

সেখানেই আমেরিকা নিজে এখন রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কিনবে। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ট্রাম্পের যুক্তি, আমেরিকান গ্রাহক, কৃষক ও ট্রাক চালকদের জ্বালানির খরচ কমানোর জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কেনা হবে।

ট্রাম্পের ঘোষণাতেই স্পষ্ট যে জ্বালানি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনের উপরে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরু করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হয়েছে।  মার্কিন প্রশাসনের উপরে জ্বালানির দাম কমানোর জন্য চাপ তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির কথা শুনেই সমালোচনার সুর চড়িয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনেস্কি। তিনি বলেন যে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত দুর্বল ও অনুপযুক্ত। ইউক্রেন ও অন্যান্য অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে এটি অবিচার।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us